‘কর্মতীর্থ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধনের মাধ্যমে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে সকলে’

0
26

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ দিনাজপুর, ১৩ জানুয়ারি, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর শহরের সরাইহাট মালদা-বালুরঘাট ৫১২ নং জাতীয় সড়কের ধারে কারিগরি ও শিক্ষা দক্ষ উন্নয়ন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর হাত দিয়ে উদ্বোধন হল উৎকর্ষ বাংলার কর্মতীর্থের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে ১৭ থেকে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত বেকার যুবক-যুবতী ও ছাত্র-ছাত্রীদের স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কেন্দ্রটির উদ্বোধন হলো।

জানা গিয়েছে, এখানে মহিলাদের টেলারিং ও পুরুষদের কম্পিউটার শেখানোর প্রশিক্ষণ শুরু হবে। উদ্বধনের দিনে মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর সাথে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক নিখিল নির্মল, গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক মানবেন্দ্র দেবনাথ, অতিরিক্ত গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক দীপ কুমার দাস, বংশীহারি থানার আইসি মনোজিৎ সরকার, বুনিয়াদপুর পুরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মন, বুনিয়াদপুর বিডিও সুদেষ্ণা পাল সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা। এদিন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ফিতে কেটে মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন।

কেন্দ্রটির উদ্ভবনের সাথে এই মহান কর্মকান্ডের কান্ডারী ও সম্পূর্ণ দায়ীত্বে থাকা ইন্দ্র কুমার রায়ের জন্য সম্ভব হয়েছে বলে সকলের দাবী। পাশাপাশি তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আবালবৃদ্ধবনিতা। অন্যদিকে এখানে এদিন পর্যন্ত ৬০০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের নাম রেজিস্টার হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রশিক্ষণ শুরু হবে জানা গেছে। আর তাতে জেলার প্রতিটি বেকার যুবক-যুবতীরা স্বনির্ভর হয়ে গড়ে উঠবে তা বলাই বাহুল্য। এ বিষয়ে এই মহান কর্মকান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা ইন্দ্র কুমার রায় জানান, “বেকার সমস্যা দুর করতে আমাদের এই প্রয়াস, মানুষ খুব ভালো ভাবে নিয়েছে বিষয়টিকে, সাড়া পাচ্ছি ব্যাপকভাবে। আগামীতে আরো কেন্দ্র খুলতে চলেছি, পাশাপাশি এই জেলাতে উৎকর্ষ বাংলার কর্মতীর্থের দ্বারা সকলকে স্বনির্ভর গড়ে তুলবো। এখানে বায়োমেট্রীকের মাধ্যমে সকলের উপস্থিতি হবে তেমনি সকলে টাকাও পাবেন। আর আমার দৃঢ় বিশ্বাস এর ফলে সকলেই স্বনির্ভর হয়ে এক নতুন পন্থা পাবেন। আমাদের একটাই মন্ত্র হবে স্বনির্ভর গড়ে তুলে বেকার সমস্যা দুর করা”। তবে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর সরাইহাটে কর্মতীর্থের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি উদ্বোধন হওয়ার ফলে জেলা সহ বুনিয়াদপুরের সকল বেকার যুবক যুবতীরা বাড়তি অক্সিজেন পেলো তা স্বাভাবিক সাথে ইন্দ্র কুমার রায়ের ফলে তা সফলতার চূড়ায় তিনি যেতে পেরেছেন তা বলাই বাহুল্য।