লেবুর খোসাতে রয়েছে সবথেকে বেশী উপকারিতা

খোসাতে

লেবুর খোসাতে রয়েছে সবথেকে বেশী উপকারিতা ।  খাবারের স্বাদ বাড়াতে লেবুর  জুড়ি মেলা ভার।  লেবুর সুঘ্রাণ খাবারে তৃপ্তি দেয়। অনেকে আবার সুস্থতার জন্য সকালে লেবু জল পান করে থাকেন। তবে আমরা লেবুর রস রেখে খোসাটা ফেলে দেই। কারণ আমরা জানিই না যে এই খোসাতে আছে কত অজানা ও চমৎকার সব উপকারিতা। লেবুর রসের চেয়ে ৫-১০ গুণ বেশি ভিটামিন আছে লেবুর খোসায়। লেবু আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং চুলের জন্যেও খুবই উপকারি। খোসাতে আছে ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়ামের মত খনিজ উপাদান, ফাইবার ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ।

 

ত্বকের সানবার্ন প্রতিরোধ করতে লেবুর খোসা সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এতে ত্বকের পোড়াভাব সহজেই দূর হয়। পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। লেবুর খোসা হজম শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খুব সহজেই।দেহের অতিরিক্ত মেদ কমাতেও লেবুর খোসা অনেক উপকারী।

 

লেবুর  খোসায়  প্রচুর পরিমাণের ভিটামিন সি থাকায় দাঁতের জন্য বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে। লেবুর খোসা দাঁতের বিভিন্ন অসুখ থেকে রক্ষা করে। হাড়ের বিভিন্ন অসুখ যেমন, পলি আর্থারাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং বিভিন্ন প্রকার আর্থারাইটিস প্রতিরোধ করে।প্রত্যহ লেবুর খোসা খেলে শরীরে সাইট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

 

আর ও  পড়ুন  কালো ব্রালেটে ঝড় তুলে দিলেন শুভশ্রী

 

লেবুর খোসা শরীর থেকে স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে। লেবুর খোসাতে আছে সয়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০ ও লিমোনেন্স, যা ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করে, ব্য়াকটেরিয়াল ও ছত্রাক সংক্রমণের প্রকোপ কমায়।

 

আামদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখে লেবুর খোসা, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং বিভিন্ন হৃদরোগ যেমন স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

 

উল্লেখ্য, খাবারের স্বাদ বাড়াতে লেবুর  জুড়ি মেলা ভার।  লেবুর সুঘ্রাণ খাবারে তৃপ্তি দেয়। অনেকে আবার সুস্থতার জন্য সকালে লেবু জল পান করে থাকেন। তবে আমরা লেবুর রস রেখে খোসাটা ফেলে দেই। কারণ আমরা জানিই না যে এই খোসাতে আছে কত অজানা ও চমৎকার সব উপকারিতা। লেবুর রসের চেয়ে ৫-১০ গুণ বেশি ভিটামিন আছে লেবুর খোসায়।

 

লেবু আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং চুলের জন্যেও খুবই উপকারি। খোসাতে আছে ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়ামের মত খনিজ উপাদান, ফাইবার ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ। ত্বকের সানবার্ন প্রতিরোধ করতে লেবুর খোসা সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এতে ত্বকের পোড়াভাব সহজেই দূর হয়। পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। লেবুর খোসা হজম শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খুব সহজেই।দেহের অতিরিক্ত মেদ কমাতেও লেবুর খোসা অনেক উপকারী  লেবুর  খোসায়  প্রচুর পরিমাণের ভিটামিন সি থাকায় দাঁতের জন্য বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।

 

লেবুর খোসা দাঁতের বিভিন্ন অসুখ থেকে রক্ষা করে। হাড়ের বিভিন্ন অসুখ যেমন, পলি আর্থারাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং বিভিন্ন প্রকার আর্থারাইটিস প্রতিরোধ করে।প্রত্যহ লেবুর খোসা খেলে শরীরে সাইট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়।