জলের তোড়ে ভেসে গেল চারচাকা গাড়ি, প্রাণে বাঁচলো চালক

চারচাকা

জলের তোড়ে ভেসে গেল চারচাকা গাড়ি, প্রাণে বাঁচলো চালক।  বুধবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনির টাকশাল থেকে চকতারনি আসার পথে রেললাইন সংলগ্ন চাথাল পেরোতে গিয়ে জলের তোড়ে খালে ভেসে গেল চারচাকা গাড়ি।কোন রকম ভাবে প্রাণে বাঁচলো চালক।

 

ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শালবনির চকতারিণী এলাকায়।তবে ওই চালকের নাম ও পরিচয় এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত গত তিনদিনের অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পুকুর ও খালে বেড়ে গিয়েছে জল।সেই জলের তোড়ে চারচাকা গাড়ি ভেসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই জলের স্রোতে ভেসে যাওয়া মারুতি গাড়িটি কে খাল থেকে উদ্ধার এর কাজে হাত লাগিয়েছেম এলাকাবাসীরা।

 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় শালবনি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখার কাজ করছে। সেই সঙ্গে ওই মারুতি গাড়ি কে উদ্ধার করার পর জানা যাবে মারুতি গাড়ি টি কোথা থেকে এসেছিল এবং সেই গাড়ির চালক কে ছিল বলে শালবনি থানার পুলিশ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়।সেই সঙ্গে জল বাড়তে থাকায় পুলিশ ওই চাথাল দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে।

 

অন্যদিকে, সোমবার রাত থেকে চলছে নিম্নচাপের টানা বৃষ্টি আর তার জেরে ফের জলমগ্ন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বর।মঙ্গলবার রাত থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়ে যাওয়ায় এই সমস্যা হাসপাতাল চত্বরে। বুধবার সকালে দেখা যায় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরের জরুরী বিভাগের সামনে প্রায় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে।

 

আর ও পড়ুন    ঝাড়গ্রাম শহর টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন, সমস্যায় বাসিন্দারা

 

আর সেই জল মাড়িয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে রোগী থেকে রোগীর পরিজন ও স্বাস্থ্য কর্মীদের।শুধু হাসপাতাল চত্বরই নই বৃষ্টির জল দাঁড়িয়ে হাসপাতালে চত্বরে থাকা ন্যায্যমুল্যের ঔষধ দোকানের সামনেও।ঘাটাল মহকুমা হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এর পাশাপাশি ঘাটাল শহরের বেশ জায়গা জল মগ্ন হয়ে পড়েছে।

 

যার ফলে সরকারি ন্যায্যমুল্যের ঔষধ দোকান থেকে ঔষধ আনতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে রোগীর পরিজনদের।এর আগেও বেশ কয়েকবার ভারি বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বর।আবারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল, বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার জেরেই বারবার এই সমস্যা বলে দাবি স্থানীয় থেকে রোগীর পরিজনদের।