ভারতের চেয়ে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো, দাবি ইমরানের

চেয়ে

ভারতের চেয়ে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো, দাবি ইমরানের। নিজের দেশে তীব্র আর্থিক সংকট।তা সত্ত্বেও পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করে বসলেন, পাকিস্তান নাকি ভারতের তুলনায় ভাল অর্থনৈতিক অবস্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার ইসলামাবাদে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার্স সামিট ২০২২–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইমরান বলে ফেলেন, ‘‌শুধু ভারত নয়, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক দেশের চেয়েই ভাল।’‌

 

ইমরান আরও যোগ করেছেন, ‘‌পাকিস্তান এখনও বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় সস্তা দেশগুলির মধ্যে একটি। বিরোধীরা আমাদের অযোগ্য বলে, কিন্তু সত্যিটা হল আমাদের সরকার জাতিকে সব সংকট থেকে রক্ষা করেছে।’‌ ইমরানের দাবি, ‘‌অন্যান্য জিনিসের মধ্যে পাকিস্তানে তেলের দাম বাকি দেশের তুলনায় সস্তা।’‌

 

পাক সরকার সংসদে একটি অর্থ বিল আনতে চলেছে। তবে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিলটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা বলছে, সরকার পাকিস্তানকে মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারের জন্য ঝুঁকিতে ফেলছে। তাই এই বিল কার্যকর হওয়া নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

 

আর ও পড়ুন    সৌদির রাস্তায় পরিবেশন করা হয়েছে অর্ধনগ্ন সাম্বা নৃত্য

 

বিরোধীরা এই বিলের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাক সরকার ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধির জন্য বিপুল আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে একাধিকবার। এই অবস্থায় ভারতের চেয়ে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল বলে দাবি করে বসলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

 

উল্লেখ্য,ভারতের চেয়ে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো, দাবি ইমরানের। নিজের দেশে তীব্র আর্থিক সংকট।তা সত্ত্বেও পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করে বসলেন, পাকিস্তান নাকি ভারতের তুলনায় ভাল অর্থনৈতিক অবস্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার ইসলামাবাদে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার্স সামিট ২০২২–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইমরান বলে ফেলেন, ‘‌শুধু ভারত নয়, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক দেশের চেয়েই ভাল।’

 

ইমরান আরও যোগ করেছেন, ‘‌পাকিস্তান এখনও বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় সস্তা দেশগুলির মধ্যে একটি। বিরোধীরা আমাদের অযোগ্য বলে, কিন্তু সত্যিটা হল আমাদের সরকার জাতিকে সব সংকট থেকে রক্ষা করেছে।’‌ ইমরানের দাবি, ‘‌অন্যান্য জিনিসের মধ্যে পাকিস্তানে তেলের দাম বাকি দেশের তুলনায় সস্তা।’‌পাক সরকার সংসদে একটি অর্থ বিল আনতে চলেছে। তবে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিলটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা বলছে, সরকার পাকিস্তানকে মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারের জন্য ঝুঁকিতে ফেলছে। তাই এই বিল কার্যকর হওয়া নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।