ভালোবেসে স্ত্রীকে তাজমহল উপহার দিলেন একুশের শাহজাহান

তাজমহল

ভালোবেসে  স্ত্রীকে তাজমহল উপহার দিলেন একুশের শাহজাহান। তিনি হলেন আজকের শাহজাহান। নাহলে কেউ স্ত্রীকে অবিকল তাজমহলের মত দেখতে একটি প্রাসাদ গড়ে দিতে পারে। তাহলে একটু খোলসা করেই বলি। স্ত্রীকে উপহার দেওয়ার জন্য মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুরে অবিকল তাজমহলের আদলে বাড়ি তৈরি করেছেন এক ব্যক্তি।

 

মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা আনন্দ চোকসের মনে সবসময় একটাই প্রশ্ন উঠত যে শাহজাহানের স্ত্রী মুমতাজের মৃত্যু ওখানে হওয়া সত্ত্বেও কেন সেখানে তাজমহল তৈরি হয়নি। কথিত আছে তাজমহল একসময় তাপ্তি নদীর তীরে গড়ে ওঠার কথা থাকলেও পরে তা আগ্রায় তৈরি করা হয়।

 

তাজমহলের আদলে তৈরি এই বাড়ির গম্বুজ ২৯ ফুট। বাড়িটিতে তাজমহলের মতো টাওয়ার রয়েছে। এর মেঝে তৈরি হয়েছে রাজস্থানে মকরানে। আর বাড়ির আসবাবপত্র তৈরি করেছে মুম্বইয়ের শিল্পীরা। বাড়িটিতে একতলায় ২টি বেডরুম এবং দোতলায় আরও ২টি বেডরুম রয়েছে।

 

 

আর ও পড়ুন      মাধ্যমিক পাশেই নৌসেনায় চাকরির সুযোগ, ২৭৫টি পদে নিয়োগ  

 

 

তাছাড়াও রয়েছে হল ঘর, লাইব্রেরি ও মেডিটেশন রুম। আর শুধু তাই নয়, বাড়িটির অন্দরমহল ও বাইরের আলোকসজ্জা এমনভাবে করা হয়েছে যাতে আসল তাজমহলের মতো অন্ধকারেও জ্বলজ্বল করে। গোটা বাড়িটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ৩ বছর।

 

এই প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার জানান, বাড়িটি তৈরি করার সময় যথেষ্টই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। বাড়ি তৈরির আগে আসল তাজমহলকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তিনি। এমনকী বাড়ির ভিতরের খোদাই কার্যের জন্য বাংলা ও ইন্দেরের শিল্পীদের সহযোগিতাও চেয়েছিলেন তিনি।বাড়িটি বানাতে কত খরচ হয়েছে তা এখনও জানা যায় নি। আর সত্যিই কি এই বাড়ির কোনও মূল্য হতে পারে? এটি তো ভালোবাসার দান।

 

উল্লেখ্য, ভালোবেসে  স্ত্রীকে তাজমহল উপহার দিলেন একুশের শাহজাহান। তিনি হলেন আজকের শাহজাহান। নাহলে কেউ স্ত্রীকে অবিকল তাজমহলের মত দেখতে একটি প্রাসাদ গড়ে দিতে পারে। তাহলে একটু খোলসা করেই বলি। স্ত্রীকে উপহার দেওয়ার জন্য মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুরে অবিকল তাজমহলের আদলে বাড়ি তৈরি করেছেন এক ব্যক্তি। মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা আনন্দ চোকসের মনে সবসময় একটাই প্রশ্ন উঠত যে শাহজাহানের স্ত্রী মুমতাজের মৃত্যু ওখানে হওয়া সত্ত্বেও কেন সেখানে তাজমহল তৈরি হয়নি। কথিত আছে তাজমহল একসময় তাপ্তি নদীর তীরে গড়ে ওঠার কথা থাকলেও পরে তা আগ্রায় তৈরি করা হয়।