রাজ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ ?

দিলীপ

রাজ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ ?  শনিবার তৃণমূল সরকারের তুমুল সমালোচনা করেন দিলীপ ঘোষ। জল জমা এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় সিন্ডিকেটকে দায়ী করলেন তিনি।

 

এদিন তিনি বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে জল জমেছে। আর এর জেরে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন। অনেক জায়গা থেকে এখনও জল নামেনি। ফলে সেখানকার মানুষ সমস্যায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জল জমে সমস্যা তৈরি হয়েছে নিউ টাউনেও।

 

তিনি বলেন,  একদিকে খাল আছে, তবে জল যাওয়ার ব্য়বস্থা নেই। না ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক আছে। পিছনে ভেড়ি আছে। কিন্তু ড্রেন নেই। যাবে কী করে। এটা না করে যদি নিউ টাউন আরও বাড়ানো হয়, সসম্যা বাড়বে। বাড়ি হচ্ছে। মিনিমাম প্রাথমিক সুবিধা না থাকে। গরমের সময় জল কষ্ট। বর্ষাকালে জল বেরোতে পারে না। এই বিড়ম্বনা থেকে পার না করতে পারলে গত ১০ বছরে এই সরকার কোনও স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। এদিন তিনি সিপিআইএমকেও বিঁধেছেন। তাঁর বক্তব্য, বৃষ্টি হয়েছে জল জমেছে। দিনকে দিন আরও বেশি জল জমবে।

 

আর ও  পড়ুন    রাজ্যের উপর ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’

 

তাঁর অভিযোগ, কারণ ড্রেন বন্ধ। পরিষ্কার করা হয় না। সিপিআইএমের আমলে তৈরি হয়েছিল এই পরিস্থিতি। প্রোমোটিং করা। যত ফাঁকা জায়গা ছিল, পুকুর ছিল বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। খালের ওপর বাড়ি করা হয়েছে। তৃণমূলকে বিঁধে তিনি বলেন, এই জায়গা কব্জা করে নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে, পাট্টা দেওয়া হচ্ছে। ড্রেন বন্ধ,পরিষ্কার করা হয় না। ফাঁকা জায়গা ছিল।

 

এই অবস্থা নিয়ে সরকারের কোনও দায় নেই। শাসকদলের নেতারা অমানবিক কথা বলছে। নেতারা এমন ভাবে কথা বলছেন, তাঁদের যেন কোনও দায় নেই। তিনি অভিযোগ করেন, যাঁরা এই লোহার পোস্ট লাগিয়েছিলেন, লোহার ত্রিফলা যমদূত হয়েছে গিয়েছে। এর রাস্তা বের করা দরকার। সরকারের অবিলম্বে ব্যবস্থা করা উচিত। সতর্ক করা উচিত।

 

উল্লেখ্য।দিলীপ ঘোষ  বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে জল জমেছে। আর এর জেরে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন। অনেক জায়গা থেকে এখনও জল নামেনি। ফলে সেখানকার মানুষ সমস্যায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জল জমে সমস্যা তৈরি হয়েছে নিউ টাউনেও।তিনি বলেন,  একদিকে খাল আছে, তবে জল যাওয়ার ব্য়বস্থা নেই। না ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক আছে। পিছনে ভেড়ি আছে। কিন্তু ড্রেন নেই। যাবে কী করে। এটা না করে যদি নিউ টাউন আরও বাড়ানো হয়, সসম্যা বাড়বে। বাড়ি হচ্ছে। মিনিমাম প্রাথমিক সুবিধা না থাকে।

 

গরমের সময় জল কষ্ট। বর্ষাকালে জল বেরোতে পারে না। এই বিড়ম্বনা থেকে পার না করতে পারলে গত ১০ বছরে এই সরকার কোনও স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। এদিন তিনি সিপিআইএমকেও বিঁধেছেন। তাঁর বক্তব্য, বৃষ্টি হয়েছে জল জমেছে। দিনকে দিন আরও বেশি জল জমবে।