দৈনিক আক্রান্তের হার (২.৬১%) বিগত ২৮ দিন ধরে যা ৩ শতাংশের নিচে

0
15

নতুন দিল্লি, ১৯ জুলাই, ২০২১:ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ কর্মসূচির উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রগতি হয়ে আজ সামগ্রিকভাবে ৪০ কোটি ৬৪ লক্ষ অতিক্রম করেছে। দেশে এই টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা হয়েছিল ১৬ জানুয়ারি,২০২১। আজ সকাল ৭ টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট এপর্যন্ত সামগ্রিকভাবে ৪০ কোটি ৬৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৪৯৩ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় ১৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ১২৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে।ভারতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ০২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৯২২ জন স্বাস্থ্যকর্মী প্রথম ডোজ এবং ৭৫ লক্ষ ৫২ হাজার ২৭০ জন কর্মী দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। অন্যদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অগ্রভাগে থাকা ১ কোটি ৭৭ লক্ষ ৯৫ হাজার ১২৫ জন কর্মী প্রথম ডোজ এবং ১ কোটি ০৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ২৬৮ জন কর্মী দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। একইভাবে, ১৮-৪৪ বছর বয়সী ১২ কোটি ৫০ লক্ষ ৮০ হাজার ৪৮৮ জন প্রথম ডোজ এবং ৪৯ লক্ষ ০৭ হাজার ৭৮২ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। অন্যদিকে, ৪৫-৫৯ বছর বয়সী ৯ কোটি ৭৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৬৮ জন প্রথম ডোজ এবং ২ কোটি ৯৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ০৯০ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। এছাড়াও, ৬০ বছরের বেশি বয়সী ৭ কোটি ২১ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৩ জন প্রথম ডোজ এবং ৩ কোটি ১৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৪৭ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন।করোনা প্রতিষেধক টিকা দান অভিযান নতুন পর্যায়ে সর্বজনীনভাবে ২১ জুন, ২০২১ থেকে শুরু হয়েছে। এই অভিযানকে সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারত সরকার বদ্ধপরিকর।করোনার জনিত অতিমারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৩ কোটি,০৩ লক্ষ, ০৮ হাজার ৪৫৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৮ হাজার ৬৬০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থতার হার বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৯৭.৩২ শতাংশ। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৮ হাজার ১৬৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। বিগত ২২ দিন ধরে দৈনিক আক্রান্তের হার ৫০ হাজারের নিচে রয়েছে। এজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা রয়েছে।দেশে সুস্পষ্টভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬৫। বর্তমানে মোট আক্রান্তের চেয়ে যা ১.৩৫ শতাংশ।গত ২৪ ঘন্টায় দেশে মোট ১৪,৬৩,৫৯৩ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে এ পর্যন্ত ৪৪ কোটি ৫৪ লক্ষ ২২ হাজার ২৫৬ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।বর্তমানে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে আক্রান্তের হার ২.০৮ শতাংশ। দৈনিক ভিত্তিতে এই হার আজ ২.৬১ শতাংশ। দৈনিক ভিত্তিতে আক্রান্তের হার লাগাতার ২৮ দিন ধরে ৩ শতাংশের নিচে রয়েছে। এছাড়া ৪২ দিন ধরে এই হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।