রাজ্যে করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও কলকাতায় উর্ধমুখী করোনা

নিম্নমুখী

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও কলকাতায় উর্ধমুখী করোনা । শহর   কলকাতায় করোনা সক্রিয়র সংখ্যা  বেড়েই চলেছে। বাংলার মোট সংক্রমণ ৫০০-র নিচে নামার দিনেও কলকাতায় গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। শুক্রবার ১১ জেলায় ১০-এর নিচে দৈনিক সংক্রমণ ধরা পড়ে  করোনার। কিন্তু কলকাতার করোনা সংক্রমণ ১২৫-এর ঊর্ধ্বে। ফলে,  পুজোর মরশুমে কলকাতা নিয়ে উদ্বেগ জারি থাকছে করোনায়।

 

শুক্রবার বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫১। কলকাতায় এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ১২৭ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় ৮৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার সংক্রমণ সবথেকে বেশি।  এদিন পর্যন্ত কলকাতায় মোট করোনা আক্রান্ত ৩১৮৭৭৫। এদিন কলকাতায় ১২৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৫১০২ জনের। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন মোট ৩১২০৮৮ জন। এখনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ১৫৮৫ জন।

 

উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৩২৭০৮২ জন। এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ জন। মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৭৭৪ জনের। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন মোট ৩২১০৪৭ জন। এখনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ১২৬১ জন। এদিন করোনা সংক্রমণ মুক্ত হয়েছেন ৮৫ জন।

 

দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া-হুগলি দক্ষিণ ২৪ পরগনা আক্রান্তের নিরিখে এখন তিন নম্বরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২১ জন বেড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৯৯৮৫১ জন। হাওড়ায় আক্রান্ত ৯৭৬৮৭ জন। এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ জন। হুগলিতে ৪৪ জন বেড়ে আক্রান্ত ৮৫১৭১ জন। কোন জেলায় দৈনিক কত সংক্রমণ আলিপুরদুয়ারে ৩ জন, কোচবিহারে ১২ জন, দার্জিলিংয়ে ১৯ জন, কালিম্পংয়ে ১ জন, জলপাইগুড়িতে ১৩ জন, উত্তর দিনাজপুরে ২ জন, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৪ জন, মালদহে ৬ জন, মুর্শিদাবাদে ২ জন, নদিয়ায় ২৬ জন, বীরভূমে ২ জন, পুরুলিয়ায় ১ জন, বাঁকুড়ায় ১১ জন, ঝাড়গ্রামে ৩ জন, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৪ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪ জন, পূর্ব বর্ধমানে ১৩ জন, পশ্চিম বর্ধমানে ৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন এদিন।

 

আর ও  পড়ুন      ছত্রিশগড়ে বিসর্জনের মিছিলে ঢুকে পড়লো বেপরোয়া গাড়ি, মৃত চার

 

এদিন বাংলায় মোট করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ৬১১ জনকে। এঁদের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৪০ হাজার ৭৬৩ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৪৮ জন। এখন পর্যন্ত মোট ভ্যাকসিনেশন হয়েছে ৬ কোটি ৫৫ লক্ষ ১০ হাজার ২৫১ জনের। প্রথম ডোজ ৪ কোটি ৭৪ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৭৭। আর দ্বিতীয় ডোজ ১ কোটি ৮০ লক্ষ ৯০ হাজার ৫৭৪।