কাল ত্রিপুরায় তৃণমূলের প্রথম পরীক্ষা, কেমন মার্কস পেতে পারে তৃণমূল

প্রথম

কাল ত্রিপুরায় তৃণমূলের প্রথম পরীক্ষা, কেমন মার্কস পেতে পারে তৃণমূল। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই পাখির চোখ করা হয় ত্রিপুরাকে। দলনেত্রীর নির্দেশে বাংলার প্রতিবেশী এই রাজ্যে সংগঠন মজবুত করার প্রক্রিয়া শুরু করে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ত্রিপুরায় সংগঠনের পায়ের তলার জমি শক্ত করার চেষ্টায় নামে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই বারংবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছে, ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ফেরাতে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই চালাবে তৃণমূল।

 

এমনকী আগামী ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিপ্লব দেবের সরকারকে উৎখাত করার ডাকও দিয়েছেন তিনি। তবে তার আগে তৃণমূলের সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ হল আগরতলা পুরভোট। বৃহস্পতিবারই আগরতলায় হতে চলেছে পুরনির্বাচন। আগরতলা পুরনিগমে রয়েছে মোট ৫১টি আসন। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়  ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আগরতলা পুরনিগমের ৫১ আসনেই প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে ৫০টি আসনে। তাঁর দাবি, ‘মানুষ যদি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে এই ভোটে খাতা খুলতে পারবে না বিজেপি’।

 

তাই নির্বাচনে মানুষকে ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের ভোট নিজে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন অভিষেক। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দাবি একেবারেই মানতে রাজি নয় বিজেপি। এই প্রসঙ্গে সায়ন্তন বসুর পালটা দাবি, ‘বিজেপি ওখানে প্রায় ৫০ শতাংশ আসনে জিতেছে, বাকি আসনেও জিতবে। তৃণমূল খাতা খুলতে পারবে না’। তবে ২৮ নভেম্বর আসল মতামত দেবেন আগরতলাবাসী।   সেক্ষেত্রে এখন দেখার প্রথম পরীক্ষায় কেমন মার্কস পাবেন তৃণমূল।

 

আর ও পড়ুন    মমতা-মোদী সম্পর্কে নতুন মোড়? বিরোধিতা নয় সহযোগিতার বার্তা

 

সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের ভোট স্থগিতের আর্জি খারিজের পর আগামিকাল বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় নেওয়া হচ্ছে পুরভোট। গত কয়েকদিন পুরভোটের প্রচারকে ঘিরে উত্তেজনার জেরে এলাহি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে কমিশন। ত্রিপুরার ২০টি থানা এলাকায় মোট ৬৪৪ বুথে কাল ভোটগ্রহণ করা হবে। আগরতলার সবকটি বুথকেই স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিশনের মতে রাজধানীর ২৭৪টি ভোটকেন্দ্র স্পর্শকাতর ও ৩৭০টি বুথ কেন্দ্র অতি স্পর্শকাতর।

 

আদালতের নির্দেশে সেনসিবিলিটি ম্যাপিংয়ের পরই ওই ঘোষণা করেছে কমিশন। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অতিস্পর্শকাতর বুথে ৫ জন টিআরএস জওয়ান মোতায়েন করা হবে। স্ট্রং রুম ও সরকারি প্রেসে ২ করে সিআরপিএফ টিম মোতায়েন করা হচ্ছে। একজন গেজেটেড অফিসারের নেতৃত্বে মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ত্রিপুরার রিটার্নিং অফিসারকে দেওয়া হচ্ছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী। সব অবজার্ভারদের নিরাপত্তারক্ষী ও এসকর্ট দেওয়া হচ্ছে। আগরতলা পুরনিগম এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে সিআরপিএফের অতিরিক্ত ১৫টি টিম।