অতিরিক্ত খাবার অসময়ে বার্ধক্য ডেকে আনে

বার্ধক্য

অতিরিক্ত খাবার অসময়ে বার্ধক্য ডেকে আনে । সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত খাবার গ্রহণ জরুরি। তবে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ক্ষতিকর। অপরিমিত খাবার মানুষকে দুর্বল করে ফেলে।  গবেষকদের মতে, মানুষের শরীরের অধিকাংশ রোগব্যাধি অতিরিক্ত খাবারের কারণেই হয়ে থাকে। অপরিমিত খাবারই মানুষকে দিন দিন মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। অধিক ভোজনের ফলে অসময়ে বার্ধক্যে পতিত হয়ে থাকে। কেননা বেশি খেলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো যথাযথভাবে কাজ করতে পারে না।

 

ফলে মানুষ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই দুর্বল বা শক্তিহীন হয়ে যায় এবং তাকে অতি অল্প বয়সেই বৃদ্ধ বলে মনে হয়। এ অবস্থায় মানুষের বহুবিধ রোগব্যাধিও হয়ে থাকে।  মানুষের কোমর সোজা রাখার জন্য কয়েক লোকমা খাদ্যই যথেষ্ট। আর একান্তই যদি বেশি খাওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে তা হলে পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাদ্য, এক-তৃতীয়াংশ জল দ্বারা পূর্ণ করে বাকি একভাগ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখতে হবে।

 

বিশিষ্ট গবেষক প্রফেসর রিচার্ড বার্ড গবেষণার পর প্রকাশ করেছেন, অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের ফলে মানুষের শরীরে এসব রোগব্যাধির সৃষ্টি হয়-

 

আর ও পড়ুন    শীত কি বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে ফেললো? কি বলছে আবহাওয়া দফতর ?

 

১. মস্তিষ্কের ব্যাধি।

২. চক্ষুরোগ।

৩. জিহ্বা ও গলার ব্যাধি।

৪. বক্ষ ও ফুসফুসের ব্যাধি।

৫. হৃদরোগ।

৬. যকৃৎ ও পিত্তের রোগ।

৭. ডায়াবেটিস।

৮. উচ্চ রক্তচাপ।

৯. মস্তিষ্কের শিরা ফেটে যাওয়া।

১০. দুশ্চিন্তাগ্রস্ততা

১১. অর্ধাঙ্গ রোগ।

১২. মনস্তাত্ত্বিক রোগ।

১৩. দেহের নিম্নাংশ অবশ হয়ে যাওয়া।

 

উল্লেখ্য, অতিরিক্ত খাবার অসময়ে বার্ধক্য ডেকে আনে । সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত খাবার গ্রহণ জরুরি। তবে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ক্ষতিকর। অপরিমিত খাবার মানুষকে দুর্বল করে ফেলে।  গবেষকদের মতে, মানুষের শরীরের অধিকাংশ রোগব্যাধি অতিরিক্ত খাবারের কারণেই হয়ে থাকে। অপরিমিত খাবারই মানুষকে দিন দিন মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। অধিক ভোজনের ফলে অসময়ে বার্ধক্যে পতিত হয়ে থাকে। কেননা বেশি খেলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো যথাযথভাবে কাজ করতে পারে না।

 

ফলে মানুষ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই দুর্বল বা শক্তিহীন হয়ে যায় এবং তাকে অতি অল্প বয়সেই বৃদ্ধ বলে মনে হয়। এ অবস্থায় মানুষের বহুবিধ রোগব্যাধিও হয়ে থাকে।  মানুষের কোমর সোজা রাখার জন্য কয়েক লোকমা খাদ্যই যথেষ্ট। আর একান্তই যদি বেশি খাওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে তা হলে পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাদ্য, এক-তৃতীয়াংশ জল দ্বারা পূর্ণ করে বাকি একভাগ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখতে হবে।