প্রবল বন্যায় ভাসছে নেপাল, মৃত বেড়ে ১০৪

মৃত

প্রবল বন্যায় ভাসছে নেপাল, মৃত বেড়ে ১০৪ । ইতিমধ্যেই নেপালে  বন্যা ও ভূমিধসের জেরে মারা গিয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ইতিমধ্যেই সেই সংখ্যা ১০৪ ছুঁয়ে ফেলেছে। এখনও নিখোঁজ ৪১ জনের বেশি মানুষ।

 

নেপালের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, টানা বৃষ্টির জেরে দেশের বিভিন্ন অংশে বন্যা, ভূমিধস ও প্লাবন দেখা দিয়েছে। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে একাধিক নদীর জল। তলিয়ে গেছে আবাদি জমি। নদীর জলস্তর বাড়ায় ঘরবাড়ি, সড়ক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতুও ভেসে গিয়েছে। ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছে নেপালের মোট ২০টি জেলা।

 

পূর্ব নেপালের জেলা পাঁচথর থেকে সর্বাধিক মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃত্যুর সংখ্যার তালিকায় এরপরে রয়েছে ইলম এবং ডোটি জেলা। এছাড়াও কালিকোট, বৌতদি, ডাদেলধুরা, বাজাং, হুমলা, সোলুখুম্বু, পিউথান, ধনকুটা, মোরং, সুনসারি এবং উদয়পুর থেকেও হু হু করে মৃত্যুর খবর আসছে। একাধিক জেলায় জারি রয়েছে লাল সতর্কতা।

 

আর ও পড়ুন    চা বাগানের হাজার হাজার চা গাছ কেটে ফেললো দুস্কৃতীরা 

 

এদিকে নেপালে ঘুরতে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটকই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালকৃষ্ণ খন্দ নেপাল পুলিশ, সেনাকে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি একাধিক জেলায় আটকে থাকা বিদেশি পর্যটকদের উদ্ধারও জোরদকমে চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে চারজন স্লোভেনীয় পর্যটক এবং তিনজন গাইড সহ বারোজন কাঠমুন্ডু  থেকে ৭০০ কিলোমিটার পশ্চিমে হুমলা জেলার নাখলায় আটকা পড়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

 

ভারী তুষারপাতের জেরে স্তদ্ধ হয়ে গিয়েছে লিমি এলাকা। আর তাতেই আরও অবনতি হয়েছে পরিস্থিতির। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই গোটা নেপালজুড়েই একাধিক এলাকায় ব্যাপক তুষারপাত শুরু হয়। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক বৃষ্টি। তাই খারাপ আবহাওয়ার কারণে বুধবার পর্যন্ত বিশেষ উদ্ধার কাজ চালানো যায়নি।

 

উল্লেখ্য, প্রবল বন্যায় ভাসছে নেপাল। মৃত বেড়ে ১০৪। ইতিমধ্যেই নেপালে  বন্যা ও ভূমিধসের জেরে মারা গিয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ইতিমধ্যেই সেই সংখ্যা ১০৪ ছুঁয়ে ফেলেছে। এখনও নিখোঁজ ৪১ জনের বেশি মানুষ। নেপালের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, টানা বৃষ্টির জেরে দেশের বিভিন্ন অংশে বন্যা, ভূমিধস ও প্লাবন দেখা দিয়েছে। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে একাধিক নদীর জল। তলিয়ে গেছে আবাদি জমি।

 

আর ও পড়ুন    বালুরঘাটে আত্রেয়ী নদীর জল বেড়েছে, ভাঙন দেখা দিয়েছে এলাকায়

 

নদীর জলস্তর বাড়ায় ঘরবাড়ি, সড়ক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতুও ভেসে গিয়েছে। ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছে নেপালের মোট ২০টি জেলা। পূর্ব নেপালের জেলা পাঁচথর থেকে সর্বাধিক মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃত্যুর সংখ্যার তালিকায় এরপরে রয়েছে ইলম এবং ডোটি জেলা। এছাড়াও কালিকোট, বৌতদি, ডাদেলধুরা, বাজাং, হুমলা, সোলুখুম্বু, পিউথান, ধনকুটা, মোরং, সুনসারি এবং উদয়পুর থেকেও হু হু করে মৃত্যুর খবর আসছে। একাধিক জেলায় জারি রয়েছে লাল সতর্কতা। এদিকে নেপালে ঘুরতে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটকই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালকৃষ্ণ খন্দ নেপাল পুলিশ, সেনাকে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

 

আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি একাধিক জেলায় আটকে থাকা বিদেশি পর্যটকদের উদ্ধারও জোরদকমে চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে চারজন স্লোভেনীয় পর্যটক এবং তিনজন গাইড সহ বারোজন কাঠমুন্ডু  থেকে ৭০০ কিলোমিটার পশ্চিমে হুমলা জেলার নাখলায় আটকা পড়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।ভারী তুষারপাতের জেরে স্তদ্ধ হয়ে গিয়েছে লিমি এলাকা। আর তাতেই আরও অবনতি হয়েছে পরিস্থিতির। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই গোটা নেপালজুড়েই একাধিক এলাকায় ব্যাপক তুষারপাত শুরু হয়। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক বৃষ্টি। তাই খারাপ আবহাওয়ার কারণে বুধবার পর্যন্ত বিশেষ উদ্ধার কাজ চালানো যায়নি।