আফগানিস্তানে স্কুল খুললেও মেয়েরা কি আর স্কুলে ফিরতে পারবে ?

মেয়েরা

আফগানিস্তানে স্কুল খুললেও মেয়েরা কি আর স্কুলে ফিরতে পারবে ?  আফগানিস্তানের মাটিতে  তালিবান শাসনে ঘরবন্দি আফগান নারীরা। বাইরে বেরোনোর অধিকার থেকে শুরু করে স্কুলে পড়ার অধিকার পর্যন্ত চলে গিয়েছে তাঁদের। কাজ হারিয়ে ঘর বন্দি অসংখ্য আফগান নারী। তার উপরে অভিযোগ,  রাস্তায় বেরোলেই চলছে অকথ্য নির্যাতন।

 

ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের তালিবান সরকার দেশের প্রাথমিক স্কুলগুলি খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে কেবল মাত্র ছেলেদের স্কুল খোলারই অনুমতি দিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। তালিবান সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে দেশর সব প্রাথমিক এবং উচ্চ শিক্ষা ও ধর্মীয় স্কুলের পঠন পাঠন অবিলম্বে শুরু করতে হবে। নির্দেশ জারির সঙ্গে সঙ্গে তোড়জোর শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে কেমল মাত্র ছেলেদের স্কুলই খোলা হয়েছে। মেয়েদের স্কুল খোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

 

আর ও পড়ুন      আসছে শাহরুখের নতুন সিনেমা, সিনেমাটির নাম কি ?

 

আফগানিস্তানে তালিবান শাসন জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েরা ঘরবন্দি হয়ে পড়েেছন। প্রথমে মুখে নারী স্বাধীনতা নিয়ে  কথা বলেছিল ঠিকই তালিবানরা। কিন্তু কাবুল দখলের পরের দিনই সরকারি সব সংবাদ মাধ্যমে মহিলা সঞ্চালিকাদের কাজ থেকে বরখাস্ত করে দেওয়া হয়। আফগানিস্তানের সব সরকারি দফতরেই মেয়েদের কাজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাঁদের পরিবর্তে বাড়ির পুরুষ সদস্যদের কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

 

যে ঘটনার     প্রতিবাদে আফগান মহিলারা  রাস্তায় বেরিয়েছিল। তালিবানি হুলিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে কিন্তু তা ধোপে টেকেনি। রাস্তায় একা বেরোলেই মেয়েদের মারধর করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। মেয়েদের স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার উপরেও িনষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে স্কুলে পড়াশোনা করতে পারবে না বলে তালিবানরা হুলিয়া জারি করেছে। কাজেই আফগানিস্তানে স্কুল খুললেও মেয়েরা আর স্কুলে ফিরতে পারবে বলে মনে করছেন না অনেকেই।

 

উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের তালিবান সরকার দেশের প্রাথমিক স্কুলগুলি খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে কেবল মাত্র ছেলেদের স্কুল খোলারই অনুমতি দিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। তালিবান সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে দেশর সব প্রাথমিক এবং উচ্চ শিক্ষা ও ধর্মীয় স্কুলের পঠন পাঠন অবিলম্বে শুরু করতে হবে। নির্দেশ জারির সঙ্গে সঙ্গে তোড়জোর শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে কেমল মাত্র ছেলেদের স্কুলই খোলা হয়েছে। মেয়েদের স্কুল খোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি।