সরকারি ঘর বাটোয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ

0
61

নিজস্ব সংবাদদাতার, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ১৫ মে, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত অফিসে ভাংচুরের ঘটনা ঘটলো। ভাঙড়ের কাশীপুর থানার ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। পঞ্চায়েত অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি কে ও মারধরের ঘটনা ঘটে। সরকারি ঘর ভাগ বাটোয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রেজিনা খাতুন খাতায় কলমে প্রধান হলে ও তার স্বামী তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ইব্রাহিম মোল্লার অঙ্গুলি-হেলনে পঞ্চায়েতের সমস্ত কাজকর্ম হয়। ইব্রাহিম মোল্লা পঞ্চায়েতের কোন দায়িত্বে না থাকলেও সারাক্ষণ পঞ্চায়েতে থেকে নিজের দাপট দেখায় বলে অভিযোগ। ভগবান পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আবুয়া বুথের পঞ্চায়েত সদস্য তথা যুব তৃণমূলের নেতা খয়রুল ইসলামের সঙ্গে ইব্রাহিম মোল্লার বচসা বাধে। খয়রুল ইসলামের দাবি, তার নিজের বুতের প্রাপ্য সরকারি ঘর ইব্রাহিম মোল্লা খাইরুল কে না জানিয়ে নিজের পছন্দ মতন লোকদের দিচ্ছিল। পঞ্চায়েত সদস্যদের কে অন্ধকারে রেখে এইভাবে কেন ঘর দেওয়া হচ্ছে তার কৈফিয়ত নিতে এসেছিল খয়রুল ইসলাম। সেখানেই বচসা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। তারপর খয়রুল এর অনুগামীরা পঞ্চায়েতের ভিতরে ঢুকে পঞ্চায়েত অফিসে ভাঙচুর চালায়। অফিসের চেয়ার ও কম্পিউটার সহ কয়েকটি বাইক ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে কাশিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় লাঠিচার্জ করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পঞ্চায়েত অফিসে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে উভয়পক্ষের দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে আহত খয়রুল ইসলাম ও ইব্রাহিম মোল্লাকে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠায়। ঘটনায় উভয় পক্ষ কাশিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে।