বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দ সহ্য করতে না পেরে প্রান হারাল ৬৩টি মুরগি

সহ্য

বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দ সহ্য করতে না পেরে প্রান হারাল ৬৩টি মুরগি। প্রথাগতভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে উচ্চ-শব্দে গান বাজনার সঙ্গে নাচ ও হৈ হুল্লোর বেশি দেখা যায়। এমনই একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর ফলে প্রতিবেশী এক খামারির ৬৩টি মুরগি মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

গত ২১ নভেম্বর ওড়িশায় মাঝরাতে এ ঘটনা ঘটে বলে সূত্রের খবর। ওই খামারের মালিক রঞ্জিত কুমারের অভিযোগ, কান ছিঁড়ে যাওয়ার মতো শব্দে বাদ্যযন্ত্র বাজানো হচ্ছিল বিয়ের অনুষ্ঠানে। যার ফলে শব্দ সহ্য করতে না পেরে তার খামারে থাকা ৬৩টি মুরগি মারা যায়।

 

খামারের মালিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘উচ্চমাত্রার শব্দে মুরগিগুলো ভয় পাচ্ছিল দেখে আমি সেখানকার লোকজনকে বলেছিলাম ভলিউম কমাতে। কিন্তু তারা শোনেনি উল্টো বরের বন্ধুরা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে।’ এ বিষয়ে একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রঞ্জিত কুমার আরও বলেন, মুরগিগুলো হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে।

 

আর ও পড়ুন     নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন 

 

বিয়েবাড়ির লোকজনের কাছে এর ক্ষতিপূরণ চাইলে অস্বীকৃতি জানায় তারা। রঞ্জিতের দাবি, মুরগিগুলোকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন তিনি। কিন্তু সব চেষ্টা বিফলে যায়। চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, তীব্র আওয়াজে মুরগিগুলো প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গিয়েছিল। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।

 

আর এ বিষয়ে তখন পুলিশে অভিযোগও করেন ওই খামারি। অবশ্য পরে আবার সে অভিযোগ তুলে নেন। তবে ওড়িশার ঘটনাটি ‘পারস্পারিক সমঝোতার’ মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলার জন্য তাদের বলেছে পুলিশ।

 

উল্লেখ্য, বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দ সহ্য করতে না পেরে প্রান হারাল ৬৩টি মুরগি। প্রথাগতভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে উচ্চ-শব্দে গান বাজনার সঙ্গে নাচ ও হৈ হুল্লোর বেশি দেখা যায়। এমনই একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর ফলে প্রতিবেশী এক খামারির ৬৩টি মুরগি মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২১ নভেম্বর ওড়িশায় মাঝরাতে এ ঘটনা ঘটে বলে সূত্রের খবর। ওই খামারের মালিক রঞ্জিত কুমারের অভিযোগ, কান ছিঁড়ে যাওয়ার মতো শব্দে বাদ্যযন্ত্র বাজানো হচ্ছিল বিয়ের অনুষ্ঠানে। যার ফলে শব্দ সহ্য করতে না পেরে তার খামারে থাকা ৬৩টি মুরগি মারা যায়।

 

খামারের মালিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘উচ্চমাত্রার শব্দে মুরগিগুলো ভয় পাচ্ছিল দেখে আমি সেখানকার লোকজনকে বলেছিলাম ভলিউম কমাতে। কিন্তু তারা শোনেনি উল্টো বরের বন্ধুরা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে।’ এ বিষয়ে একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রঞ্জিত কুমার আরও বলেন, মুরগিগুলো হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে।