সুস্থ্য থাকার চাবিকাঠি; কু-অভ্যাসে বিরতি

%name সুস্থ্য থাকার চাবিকাঠি; কু অভ্যাসে বিরতি

রায়া সাধুঃ ‘স্বাস্থ্যই সম্পদ’। আর সেই সম্পদকে সুস্থ্য ও স্বাভাবিক রাখতে আমরা সকাল থেকে রাত নানা কসরতের মধ্যে দিয়ে চলি। আমরা নিজেরা ভালো থাকা এবং অপরকে ভালো রাখার চেষ্টা করে থাকি ঠিকই। কিন্তু এমন কিছু অভ্যাসে আমরা অভ্যস্ত যে সেগুলো নিজের শরীর তো খারাপ করেই তার সঙ্গে পাশে থাকা মানুষের শরীরে খারাপ প্রভাব পড়ে।

%name সুস্থ্য থাকার চাবিকাঠি; কু অভ্যাসে বিরতি

কু-অভ্যাস বর্জন করে ভালো থাকার চাবিকাঠিটিকে যত্ন করে গুছিয়ে রাখুন। নিম্নে সংক্ষেপে বর্ণনা দেওয়া হল কু-অভ্যাসের;
১) খাওয়ার পর কোলড্রিঙ্কস, কিংবা একটু কায়িক পরিশ্রমের পরেই কালো, কমলা, সাদা রঙের সোডা ওয়াটার পান করা ঠিক নয়। শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার কমে যায়।

%name সুস্থ্য থাকার চাবিকাঠি; কু অভ্যাসে বিরতি

২) মদ্যপান এবং ধুম্রপান করার অভ্যাস থাকলে তা ইতিমধ্যেই বর্জন করুন। আপনার শরীরে হাঁটি হাঁটি পা পা করে দূরারোগ্য ব্যাধি এসে বাসা বাধতে শুরু করেছে।
৩) সময় পেলেই হাঁটুন। সেটা সকাল কিংবা দিনের যে কোনো সময়ে। দু, তিন, চার, ছয় চাকায় নির্ভর করে নিজের শরীরে রোগ ডেকে আনছেন। হার্টের রোগীদের হাঁটা অত্যন্ত জরুরী।

%name সুস্থ্য থাকার চাবিকাঠি; কু অভ্যাসে বিরতি
৪) স্ট্রীট ফুড মেনু থেকে বিদায় জানান। এছাড়া বাড়ির তৈরী রান্নায় তেল, ঘি, মাখন, এমনকি মাছ মাংসের পরিমাণ কমিয়ে সুস্থ্য থাকুন।
আপাতত এই সমস্ত কু-অভ্যাসগুলিকে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেই, কেল্লা ফতে!