স্ত্রী ডোনার সাথে শাড়ি কিনতে গিয়ে বিপাকে সৌরভ

পুজোর ঠিক আগে দিয়েই জি বাংলায় শুরু হয়ে গিয়েছে ‘দাদাগিরি’ ( buy )। খেলার ফাঁকে প্রতিযোগীদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিতে দেখা যায় দাদাকে। আর সে সময়তেই স্ত্রী ও বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী ডোনা গাঙ্গুলীকে নিয়ে এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে দেখা গেল সৌরভকে ( buy )। যদিও শ্রোতাদের কাছে ‘হাসির’ হলেও, দাদার কাছে নাকি তা ছিল ‘বড়ই লজ্জার’! জানেন কী হয়েছিল?

মহিলাদের শপিং-র প্রতি ভালোবাসা নিয়ে আর নতুন করে কিছু বলার নেই! যার জন্য শপিং-এ সঙ্গে থাকা পুরুষরা মাঝে মাঝে অপ্রস্তুতে পড়ে যান বলেও অনেকেই দাবি করে থাকেন! দাদাও খানিকটা সেই কথাই বললেন! সৌরভ জানান, বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সদ্য কলকাতা ফিরিছেন। তো ডোনা গাঙ্গুলীকে শাড়ি কিনে দিতে নিয়ে গেলেন দোকানে।

আর ও  পড়ুন      কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় চোখ রাঙাতে শুরু করেছে করোনা

সৌরভের কথায়, ‘কলকাতার বেশ বড় একটা দোকানে আমরা গিয়েছি। ম্যাডাম ৩০ মিনিট ধরে শাড়ি দেখছে। আর আমি পাশে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাত্‍ আমার কানের সামনে মুখ এনে বলল, ‘একটা শাড়িও পছন্দ হচ্ছে না’! আমি পাশে তাকিয়ে দেখি শাড়ির স্তুপ জমা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। আমি তখন ভাবছি এবার কী করব। যে কোনও দুটো শাড়ি তুলে নিয়ে দোকানিকে বললাম, ‘এই দুটো প্যাক করে দিন’। আমার মাথায় ঘুরছিল এত দেখার পর যদি শাড়ি না কিনে বেরিয়ে আসি, আর কোনওদিন দোকানে ঢুকতে দেবে না। বাইরে এসে বলেছিলাম, যাকে ইচ্ছে এই দুটো দিয়ে দিও। বা রেখে দিও।’

সেপ্টেম্বর মাসেই শুরু হয়ে গিয়েছে শুরু হয়েছে ‘দাদাগিরি’-র নবম সিজন। দাদাগিরি’ সিজন ৯-র মূলমন্ত্র -‘হাত বাড়ালেই বন্ধু হওয়া যায়’। এর আগের আটটি সিজনের মধ্যে ৭টির সঞ্চালক হিসেবে দেখা গিয়েছিল সৌরভকে। ‘দাদাগিরি’র তিন নম্বর সিজন সঞ্চালনা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তবে সেই সিজন তেমন সাফল্য পায়নি। ফলত ফের ফিরিয়ে আনা হয় সৌরভকেই।

উল্লেখ্যঃ

মহিলাদের শপিং-র প্রতি ভালোবাসা নিয়ে আর নতুন করে কিছু বলার নেই! যার জন্য শপিং-এ সঙ্গে থাকা পুরুষরা মাঝে মাঝে অপ্রস্তুতে পড়ে যান বলেও অনেকেই দাবি করে থাকেন! দাদাও খানিকটা সেই কথাই বললেন! সৌরভ জানান, বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সদ্য কলকাতা ফিরিছেন। তো ডোনা গাঙ্গুলীকে শাড়ি কিনে দিতে নিয়ে গেলেন দোকানে।

সৌরভের কথায়, ‘কলকাতার বেশ বড় একটা দোকানে আমরা গিয়েছি। ম্যাডাম ৩০ মিনিট ধরে শাড়ি দেখছে। আর আমি পাশে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাত্‍ আমার কানের সামনে মুখ এনে বলল, ‘একটা শাড়িও পছন্দ হচ্ছে না’! আমি পাশে তাকিয়ে দেখি শাড়ির স্তুপ জমা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। আমি তখন ভাবছি এবার কী করব। যে কোনও দুটো শাড়ি তুলে নিয়ে দোকানিকে বললাম, ‘এই দুটো প্যাক করে দিন’। আমার মাথায় ঘুরছিল এত দেখার পর যদি শাড়ি না কিনে বেরিয়ে আসি, আর কোনওদিন দোকানে ঢুকতে দেবে না। বাইরে এসে বলেছিলাম, যাকে ইচ্ছে এই দুটো দিয়ে দিও। বা রেখে দিও।’