দেবী দূর্গার পদ্মের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন  উত্তরবঙ্গের পদ্ম চাষিরা

হিমশিম

দেবী দূর্গার পদ্মের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন   উত্তরবঙ্গের পদ্ম চাষিরা। শিলিগুড়ি শহরের হিমঘরে ঢুকেছে ৫০-৬০ হাজার পদ্ম।  জোগানের  তুলনায় পদ্মের চাহিদা  চড়ায় ষষ্ঠীর দিনেও বর্ধমান ও কোচবিহার জেলা থেকে কয়েক হাজার পদ্মের আমদানি হতে চলেছে কলকাতা  শহরে। কৃষকদের কাছ থেকে খানিক বেশী টাকা-কড়ি ব্যায়েই পদ্মের আমদানি করছেন শহরের ফুল ব্যবসায়ীরা।

 

এদিকে  মা দুর্গার আড়ম্বর- রীতিতে বিন্দুমাত্র ফাঁক রাখতে রাজি নন পুজো উদ্যোক্তারা। বাড়ির পুজো থেকে সর্বজনীন পুজো কমিটিগুলির স্পষ্ট মন্তব্য-দর একটু বেশি ঠিকই! তবে এই পুজোকে কেন্দ্র করেই এরাজ্যে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। পুজোর কটা দিন কৃষক থেকে ব্যবসায়ী, আলোক ও মৃৎশিল্পী সকলেই হাসি মুখে থাকতে চান।

 

এদিকে শিলিগুড়ি ফুল বাজারে ৫-২০ দিন আগে থাকতেই ফুলের কারবারিরা ৫০-৬০ হাজার জল পদ্ম হিমঘরে সংগ্রহ করে ফেলেছেন। শিলিগুড়ির শহরের অদূরে রাজগঞ্জ ও বাগডোগড়ার দুটি হিমঘরে এই কয়েক হাজার জল পদ্মকে স্টোর করে রাখা হয়েছে।  পঞ্চমীতেই হিমঘর থেকে ফুল বের করা হয়েছে। তবে চাহিদা যেভাবে চোখে পড়ছে তাতে আরও কিছুটা ফুলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

 

ফুল কারবারিরা জানাচ্ছেন তৃতীয়া থেকেই খুচরো ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী হিমঘর থেকে ফুল বের করা হয়েছে। ষষ্ঠীর সকাল পর্যন্ত শহরের হিমঘর গুলি থেকে প্রায় সমস্ত ফুল বেড়িয়ে গিয়েছে। একমাস আগে থেকেই  যে যার মতো ২০-৩০ হাজার করে পদ্ম মজুদ করেছে হিমঘরে।তবে এদিন সকাল পর্যন্ত রাজগঞ্জ ও বাগডোগড়া শহরের দুটি হিমঘর থেকেই প্রায় সব ফুল বেড়িয়ে গিয়েছে। এবারের শহরে যে পরিমান চাহিদা রয়েছে তাতে এখনও আরও পদ্মের প্রয়োজন।

 

তবে এসময়ে উত্তরের কোচবিহার তুফানগঞ্জ এই সব এলাকার বিলের পদ্ম নিতে হবে। ফুলচাষীদের কাছ থেকে কিছুটা চড়া দরেই কিনতে হবে।  উত্তরবঙ্গে একমাত্র কোচবিহার, তুফানগঞ্জ এই সব এলাকায় কিছু পদ্মের চাষ হয়। তবে তা পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু এবারে চাহিদা বেশি থাকায় উত্তরের কৃষকের কাছ থেকে শহরে শহরে কিছুটা বাড়তি অর্থমূল্য দিয়ে পদ্মের আমদানি করছেন ফুল কারবারিরা।

 

আর ও  পড়ুন    ফের পিছিয়ে গেল শাহরুখ পুত্র আরিয়নের শুনানির তারিখ

 

এদিকে, পুজোয় শিলিগুড়ি শহরের চাহিদা মেটাতে প্রায় দেড় থেকে দুই কেজির মতো টাটকা পদ্ম আমদানি করা হচ্ছে। যা বাজারদর বেশি হবে। উত্তরবঙ্গে খুব বেশি ফলন না হওয়ায় কৃষকেরা পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহ করতে পারছেন না।