পুজোর মুখে অগ্নিকাণ্ড, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে দমকল

শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। এবার পুজোর মুখে কলুটোলা স্ট্রিটে বিধবংসী অগ্নিকাণ্ড! আর তা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ,পড়তে শুরু করে চারপাশে ( brigade )। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে এলাকা ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের। কলুটোলা স্ট্রিটের একটি দোতলা বাড়িতে দুপুরে আগুন লেগে যায়। ঘটনাস্থলে প্রথমে দমকলের ৮ ইঞ্জিন পৌঁছলেও আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব হয়নি ( brigade )। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও ১৪টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে উত্তর কলকাতার কলুটোলা এলাকার ঐ বাড়িতে ২২ টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত ঘিঞ্জি এলাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে।

1 82 পুজোর মুখে অগ্নিকাণ্ড, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে দমকল

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভাতে সমস্যায় পড়ছেন দমকলের আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল পৌনে এগারোটা নাগাদ আগুন লাগে ১১ নম্বর, কলুটোলা স্ট্রিটের এই বহুতলে। তবে কী কারণে আগুন লাগল তা পরিষ্কার নয়। সূত্রের খবর, এখনও আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেনি দমকলকর্মীরা। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় বাড়িতে মজুত থাকা আসবাবপত্রের ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে যেভাবে আগুন ছড়াচ্ছে, তা এখনই নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাবে। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে রয়েছে।

আর ও  পড়ুন    গ্রেফতার হলেন অখিলেশ যাদব, কেন?

অগ্নিকাণ্ডের কারণে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিল্ডিংটির আশপাশে কারখানাও রয়েছে। ফলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আসঙ্কা থাকছে। বিল্ডিংটির জানলা দিয়ে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল কর্মীরা। সূত্রের খবর, আগুন নেভাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দমকলের এক কর্মী। বহুতল বাড়ির নিচের বেশ কয়েকটি দোকানের দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে মনে করছে দমকল। ঘটনাস্থলে রয়েছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু দমকলের বিজি সহ স্থানীয় থানার পুলিশ বাহিনী।

 

এ দিন কলুটোলা স্ট্রিটের যে দোতলা বাড়িতে প্রথম আগুন লাগে, সেখান পাশের দুটি বাড়িতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এখনও পর্যন্ত আগুন নেভানোর কাজ চলছে।ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত নেই। তবে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে। কালো ধোঁয়ার ছেয়ে গিয়েছে এলাকা। দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। সেই বাড়িতে খেলনার গোডাউনও রয়েছে। সেখানে অগ্নিদাহ্য বস্তু থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।আগুন নেভানোর উপযুক্ত পরিস্থিতিও নেই বলে জানিয়েছেন দমকল কর্তৃপক্ষ। পকেটে পকেটে আগুন জ্বলছে এখনও।