ব্যাংক লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে ভুয়ো উকিল চক্র ভাঙল বারাকপুরে, গ্রেফতার চার

উত্তর 24 পরগণা – ব্যাংকের লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আইনজীবী সেজে প্রতারণার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল বারাকপুর আদালত চত্বরে। ফেসবুকে ‘রিতা দাস’ নামে একটি প্রোফাইল থেকে প্রাইভেট লোন পাইয়ে দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রলোভনে বহু মানুষ টাকা দেন। অভিযোগ, বনগাঁ, কাঁচরাপাড়া, বর্ধমান ও বারাসত-সহ একাধিক এলাকা থেকে মানুষ প্রতারিত হয়েছেন। শুক্রবার তাঁদের বারাকপুর আদালতে ডেকে পাঠানো হয়।সেখানে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর লোন নিতে আসা ব্যক্তিদের সন্দেহ হয় তথাকথিত আইনজীবীদের আচরণে। প্রশ্নের মুখে পড়তেই তারা স্বীকার করে যে, তারা কেউই প্রকৃত আইনজীবী নন। কালো কোট পরে নিজেদের উকিল পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল এই চক্র। খবর পেয়ে আদালতের প্রকৃত আইনজীবীরা এসে নিশ্চিত করেন, অভিযুক্তরা কেউই বার কাউন্সিলের নথিভুক্ত আইনজীবী নন।এরপর অভিযুক্তদের হাতে-নাতে ধরে Barrackpore Court থেকে তুলে দেওয়া হয় Barrackpore Police Station-এর পুলিশের হাতে। পুলিশ দুই যুবক ও দুই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতারিতদের বলা হয়েছিল প্রতি লাখ টাকার ঋণের জন্য তিন হাজার টাকা ‘প্রসেসিং ফি’ দিতে হবে। এক ব্যক্তি ব্যবসার জন্য পাঁচ লাখ টাকার লোন নেওয়ার আশায় ১৫ হাজার টাকা তুলে দেন ওই ভুয়ো উকিলদের হাতে। এমন আরও কতজন এই চক্রের ফাঁদে পড়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই প্রতারণা চক্রের অন্যতম পাণ্ডা তন্ময় দাশগুপ্ত বর্তমানে পলাতক। তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। পাশাপাশি, তারা কোথা থেকে উকিলের পোশাক সংগ্রহ করেছিল এবং কতদিন ধরে এই প্রতারণা চালাচ্ছিল, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

ব্যাংক লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে ভুয়ো উকিল চক্র ভাঙল বারাকপুরে, গ্রেফতার চার

উত্তর 24 পরগণা – ব্যাংকের লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আইনজীবী সেজে প্রতারণার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল বারাকপুর আদালত চত্বরে। ফেসবুকে ‘রিতা দাস’ নামে একটি প্রোফাইল থেকে প্রাইভেট লোন পাইয়ে দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রলোভনে বহু মানুষ টাকা দেন। অভিযোগ, বনগাঁ, কাঁচরাপাড়া, বর্ধমান ও বারাসত-সহ একাধিক এলাকা থেকে মানুষ প্রতারিত হয়েছেন। শুক্রবার তাঁদের বারাকপুর আদালতে ডেকে পাঠানো হয়।সেখানে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর লোন নিতে আসা ব্যক্তিদের সন্দেহ হয় তথাকথিত আইনজীবীদের আচরণে। প্রশ্নের মুখে পড়তেই তারা স্বীকার করে যে, তারা কেউই প্রকৃত আইনজীবী নন। কালো কোট পরে নিজেদের উকিল পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল এই চক্র। খবর পেয়ে আদালতের প্রকৃত আইনজীবীরা এসে নিশ্চিত করেন, অভিযুক্তরা কেউই বার কাউন্সিলের নথিভুক্ত আইনজীবী নন।এরপর অভিযুক্তদের হাতে-নাতে ধরে Barrackpore Court থেকে তুলে দেওয়া হয় Barrackpore Police Station-এর পুলিশের হাতে। পুলিশ দুই যুবক ও দুই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতারিতদের বলা হয়েছিল প্রতি লাখ টাকার ঋণের জন্য তিন হাজার টাকা ‘প্রসেসিং ফি’ দিতে হবে। এক ব্যক্তি ব্যবসার জন্য পাঁচ লাখ টাকার লোন নেওয়ার আশায় ১৫ হাজার টাকা তুলে দেন ওই ভুয়ো উকিলদের হাতে। এমন আরও কতজন এই চক্রের ফাঁদে পড়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই প্রতারণা চক্রের অন্যতম পাণ্ডা তন্ময় দাশগুপ্ত বর্তমানে পলাতক। তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। পাশাপাশি, তারা কোথা থেকে উকিলের পোশাক সংগ্রহ করেছিল এবং কতদিন ধরে এই প্রতারণা চালাচ্ছিল, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

দেশ

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top