ভোটার তালিকা সংশোধনে ফের বিশেষ পর্যবেক্ষক, জেলাশাসকদের কড়া বার্তা কমিশনের

রাজ্য – ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ের কাজ এবং সামগ্রিক ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ফের বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক এন কে মিশ্রাকে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রয়োজনে দফায় দফায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সংশোধন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও ত্রুটি খতিয়ে দেখতে হবে তাঁকে।শুক্রবার সিইও ও জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং তাঁর দল। বৈঠকে কার্যত কড়া বার্তা দিয়ে জানানো হয়, এসআইআর তালিকায় কোনও ভুল ধরা পড়লে তার দায় সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদেরই নিতে হবে। সূত্রের খবর, ইচ্ছাকৃত গাফিলতি প্রমাণিত হলে কোনও রকম রেয়াত করা হবে না। বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কমিশন।এদিকে, ভিনরাজ্যের পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়ে আগেই আপত্তি তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করে দাবি করেন, কমিশনের নিযুক্ত মাইক্রো অবজারভাররা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করছেন এবং রাজ্যের আধিকারিকদের মতামত মানছেন না। পরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, মাইক্রো অবজারভাররা কোনও নীতিগত বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সেই প্রেক্ষাপটেই ফের বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে।অন্যদিকে, আগামী পাঁচ বছর এসআইআরের সমস্ত নথি সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কমিশন সূত্রে খবর, ভবিষ্যতে তালিকায় কোনও গড়মিল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুবিধার জন্যই এই নির্দেশ। ইচ্ছাকৃত ভুল বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।এই কড়া অবস্থানের পর তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন কার্যত ‘জমিদারি শাসন’ চালাচ্ছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত আধিকারিকদের অযথা চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

ভোটার তালিকা সংশোধনে ফের বিশেষ পর্যবেক্ষক, জেলাশাসকদের কড়া বার্তা কমিশনের

রাজ্য – ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ের কাজ এবং সামগ্রিক ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ফের বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক এন কে মিশ্রাকে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রয়োজনে দফায় দফায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সংশোধন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও ত্রুটি খতিয়ে দেখতে হবে তাঁকে।শুক্রবার সিইও ও জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং তাঁর দল। বৈঠকে কার্যত কড়া বার্তা দিয়ে জানানো হয়, এসআইআর তালিকায় কোনও ভুল ধরা পড়লে তার দায় সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদেরই নিতে হবে। সূত্রের খবর, ইচ্ছাকৃত গাফিলতি প্রমাণিত হলে কোনও রকম রেয়াত করা হবে না। বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কমিশন।এদিকে, ভিনরাজ্যের পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়ে আগেই আপত্তি তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করে দাবি করেন, কমিশনের নিযুক্ত মাইক্রো অবজারভাররা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করছেন এবং রাজ্যের আধিকারিকদের মতামত মানছেন না। পরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, মাইক্রো অবজারভাররা কোনও নীতিগত বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সেই প্রেক্ষাপটেই ফের বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে।অন্যদিকে, আগামী পাঁচ বছর এসআইআরের সমস্ত নথি সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কমিশন সূত্রে খবর, ভবিষ্যতে তালিকায় কোনও গড়মিল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুবিধার জন্যই এই নির্দেশ। ইচ্ছাকৃত ভুল বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।এই কড়া অবস্থানের পর তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন কার্যত ‘জমিদারি শাসন’ চালাচ্ছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত আধিকারিকদের অযথা চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

দেশ

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top