২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের আবহেই এল শোকবার্তা, প্রয়াত রিঙ্কু সিংয়ের বাবা

বিনোদন – ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ চলাকালীন ভারতীয় ক্রিকেট দলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। তরুণ ও বিস্ফোরক ব্যাটার Rinku Singh–এর বাবা খানচাঁদ সিং প্রয়াত হয়েছেন। গ্রেটার নয়ডার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি চতুর্থ স্তরের লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয় এবং চলছিল রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিও। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হল না।গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিঙ্কু দলের সঙ্গে চেন্নাই পৌঁছেছিলেন। সেই সময়েই বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর পান তিনি। খবর পেয়েই দ্রুত বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। হাসপাতালে গিয়ে সঙ্কটজনক অবস্থায় বাবার সঙ্গে দেখা করেন। কঠিন মানসিক পরিস্থিতির মধ্যেও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে তিনি আবার জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন তিনি স্কোয়াডে ফিরে আসেন। যদিও প্লেয়িং ইলেভেনে তাঁর নাম ছিল না, তবু অতিরিক্ত ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।বাবার প্রয়াণের পর টুর্নামেন্টের মাঝপথে রিঙ্কু বাড়ি ফিরতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে তিনি বাকি ম্যাচগুলিতে দলের অংশ থাকবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কঠিন সময়ে তাঁর মানসিক দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্ব ক্রিকেটমহলে প্রশংসিত হয়েছে।খানচাঁদ সিং শুধু একজন পিতা নন, ছিলেন সংগ্রামের প্রতীক। উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে একটি গ্যাস এজেন্সিতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়াই ছিল তাঁর পেশা। আর্থিক অনটন সত্ত্বেও ছেলের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে কখনও পিছপা হননি। রিঙ্কুর সাফল্যের পরেও তিনি নিজের কাজ ছাড়েননি—এভাবেই ছেলের সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন এক নিরলস পরিশ্রমী বাবা।আজ রিঙ্কু সিংয়ের কৃতিত্বের আড়ালে যে অদম্য সংগ্রাম আর আত্মত্যাগ লুকিয়ে রয়েছে, তার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন তাঁর প্রয়াত বাবা। ভারতীয় ক্রিকেটের এই দুঃসময়ে শোকস্তব্ধ গোটা ক্রীড়ামহল।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের আবহেই এল শোকবার্তা, প্রয়াত রিঙ্কু সিংয়ের বাবা

বিনোদন – ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ চলাকালীন ভারতীয় ক্রিকেট দলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। তরুণ ও বিস্ফোরক ব্যাটার Rinku Singh–এর বাবা খানচাঁদ সিং প্রয়াত হয়েছেন। গ্রেটার নয়ডার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি চতুর্থ স্তরের লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয় এবং চলছিল রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিও। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হল না।গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিঙ্কু দলের সঙ্গে চেন্নাই পৌঁছেছিলেন। সেই সময়েই বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর পান তিনি। খবর পেয়েই দ্রুত বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। হাসপাতালে গিয়ে সঙ্কটজনক অবস্থায় বাবার সঙ্গে দেখা করেন। কঠিন মানসিক পরিস্থিতির মধ্যেও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে তিনি আবার জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন তিনি স্কোয়াডে ফিরে আসেন। যদিও প্লেয়িং ইলেভেনে তাঁর নাম ছিল না, তবু অতিরিক্ত ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।বাবার প্রয়াণের পর টুর্নামেন্টের মাঝপথে রিঙ্কু বাড়ি ফিরতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে তিনি বাকি ম্যাচগুলিতে দলের অংশ থাকবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কঠিন সময়ে তাঁর মানসিক দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্ব ক্রিকেটমহলে প্রশংসিত হয়েছে।খানচাঁদ সিং শুধু একজন পিতা নন, ছিলেন সংগ্রামের প্রতীক। উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে একটি গ্যাস এজেন্সিতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়াই ছিল তাঁর পেশা। আর্থিক অনটন সত্ত্বেও ছেলের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে কখনও পিছপা হননি। রিঙ্কুর সাফল্যের পরেও তিনি নিজের কাজ ছাড়েননি—এভাবেই ছেলের সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন এক নিরলস পরিশ্রমী বাবা।আজ রিঙ্কু সিংয়ের কৃতিত্বের আড়ালে যে অদম্য সংগ্রাম আর আত্মত্যাগ লুকিয়ে রয়েছে, তার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন তাঁর প্রয়াত বাবা। ভারতীয় ক্রিকেটের এই দুঃসময়ে শোকস্তব্ধ গোটা ক্রীড়ামহল।

দেশ

ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় বড় পদক্ষেপ, অনিল আম্বানির ১৭ তলা ‘অ্যাবোড’ সংযুক্ত করল ইডি

দেশ – ব্যাঙ্ক জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল Enforcement Directorate (ইডি)। রিলায়েন্স গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান Anil Ambani-র মুম্বইয়ের ১৭ তলা

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top