গ্রীষ্মের আগেই জলকষ্ট মোকাবিলায় বড় উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার

কলকাতা – আসন্ন গ্রীষ্মের আগে শহরবাসীদের জলকষ্ট থেকে মুক্তি দিতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। প্রতি বছর গরমের সময় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সমস্যার অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি এড়াতেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে পুর কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই সংযুক্ত এলাকাগুলিতে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জোরকদমে এগোচ্ছে দু’টি নতুন জল প্রকল্পের কাজ।ধাপা এবং গড়িয়া ঢালাই ব্রিজের কাছে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। পুর প্রশাসনের লক্ষ্য, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে আগামী মার্চ-এপ্রিলের মধ্যেই এই প্রকল্পগুলি থেকে পানীয় জল সরবরাহ শুরু করা। ধাপায় নির্মীয়মাণ প্লান্টটির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২০ মিলিয়ন গ্যালন। অন্যদিকে গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ সংলগ্ন প্লান্টটির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা নির্ধারিত হয়েছে ১০ মিলিয়ন গ্যালন। দুটি প্রকল্প থেকেই পরিশোধিত পানীয় জল উৎপাদন করা হবে।এই প্রকল্পগুলি চালু হলে টালিগঞ্জ, যাদবপুর এবং ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কয়েক লক্ষ বাসিন্দা উপকৃত হবেন বলে দাবি পুর প্রশাসনের। দীর্ঘদিনের জলসঙ্কটের সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। তবে শুধুমাত্র প্লান্ট নির্মাণই নয়, সেই জল পৌঁছে দিতে প্রয়োজন বিস্তৃত পাইপলাইন নেটওয়ার্কও।পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৯১টি স্ট্রেচ মিলিয়ে ১৩৫ কিলোমিটার এলাকায় নতুন পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪৬ কিলোমিটারেরও বেশি অংশে পাইপ বসানো সম্পূর্ণ হয়েছে। পাইপলাইন পাতার জন্য বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে হয়েছে। বর্তমানে সেই সব রাস্তার দ্রুত সংস্কারের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ২৫টি রাস্তায় মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যতটা সম্ভব কাজ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছে পুর প্রশাসন। সব মিলিয়ে, এই দু’টি জল প্রকল্প চালু হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার জলসঙ্কট অনেকটাই কমবে বলেই আশা করছে কলকাতা পুরসভা।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

গ্রীষ্মের আগেই জলকষ্ট মোকাবিলায় বড় উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার

কলকাতা – আসন্ন গ্রীষ্মের আগে শহরবাসীদের জলকষ্ট থেকে মুক্তি দিতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। প্রতি বছর গরমের সময় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সমস্যার অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি এড়াতেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে পুর কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই সংযুক্ত এলাকাগুলিতে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জোরকদমে এগোচ্ছে দু’টি নতুন জল প্রকল্পের কাজ।ধাপা এবং গড়িয়া ঢালাই ব্রিজের কাছে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। পুর প্রশাসনের লক্ষ্য, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে আগামী মার্চ-এপ্রিলের মধ্যেই এই প্রকল্পগুলি থেকে পানীয় জল সরবরাহ শুরু করা। ধাপায় নির্মীয়মাণ প্লান্টটির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২০ মিলিয়ন গ্যালন। অন্যদিকে গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ সংলগ্ন প্লান্টটির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা নির্ধারিত হয়েছে ১০ মিলিয়ন গ্যালন। দুটি প্রকল্প থেকেই পরিশোধিত পানীয় জল উৎপাদন করা হবে।এই প্রকল্পগুলি চালু হলে টালিগঞ্জ, যাদবপুর এবং ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কয়েক লক্ষ বাসিন্দা উপকৃত হবেন বলে দাবি পুর প্রশাসনের। দীর্ঘদিনের জলসঙ্কটের সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। তবে শুধুমাত্র প্লান্ট নির্মাণই নয়, সেই জল পৌঁছে দিতে প্রয়োজন বিস্তৃত পাইপলাইন নেটওয়ার্কও।পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৯১টি স্ট্রেচ মিলিয়ে ১৩৫ কিলোমিটার এলাকায় নতুন পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪৬ কিলোমিটারেরও বেশি অংশে পাইপ বসানো সম্পূর্ণ হয়েছে। পাইপলাইন পাতার জন্য বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে হয়েছে। বর্তমানে সেই সব রাস্তার দ্রুত সংস্কারের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ২৫টি রাস্তায় মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যতটা সম্ভব কাজ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছে পুর প্রশাসন। সব মিলিয়ে, এই দু’টি জল প্রকল্প চালু হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার জলসঙ্কট অনেকটাই কমবে বলেই আশা করছে কলকাতা পুরসভা।

দেশ

বাজেটের পর সোনা-রুপোর দামে বড় পতন, মধ্যবিত্তের মুখে স্বস্তির হাসি

দেশ – মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত—সব শ্রেণির মানুষের জন্যই স্বস্তির খবর। সোনা ও রুপোর দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে এখন স্পষ্ট পতনের পথে।

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top