চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম পর্ব প্রকাশ, ৬৩ লক্ষ নাম বাদ — বিচারকদের কাঁধে নথির পাহাড়

রাজ্য – চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম পর্ব প্রকাশিত হতেই সামনে এসেছে এক বিস্ময়কর চিত্র। এই পর্যায়ে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তালিকায় যেমন সাধারণ মানুষের নাম রয়েছে, তেমনই রয়েছেন বিধায়ক, কাউন্সিলর, এমনকি বিশ্বকাপজয়ী ক্রীড়াবিদদের নামও। চমকপ্রদ বিষয় হল, নথি যাচাইয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৬ জন বিচারকের নামও উঠে এসেছে ‘অ্যাডজুডিকেশন’-এর তালিকায়। ফলে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।এই পরিস্থিতিতে বিপুল পরিমাণ নথির ভিড় থেকে যোগ্য ভোটার চিহ্নিত করা কার্যত খড়ের গাদায় সূঁচ খোঁজার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, একজন বিচারককে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০টি আবেদন নিষ্পত্তি করতে হচ্ছে। অধিকাংশ বিধানসভা এলাকায় নথি যাচাইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন একজন করে বিচারক। তবে যেখানে বিচারাধীন আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি, সেখানে দু’জন করে বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে। তবুও নথির পাহাড় সামলাতে কার্যত নাজেহাল অবস্থা তাঁদের।জানা গিয়েছে, বিচারকদের জন্য পৃথক লগইন আইডি দেওয়া হলেও সেখানে এইআরও এবং ইআরও-দের আপলোড করা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি দৃশ্যমান নয়। ফলে সঠিক তথ্য যাচাই করতে হার্ডকপি নিয়ে বসতে হচ্ছে তাঁদের। এতে সময় লাগছে আরও বেশি। এই জটিল পরিস্থিতিতে বহু বিচারকই নির্ভর করছেন মাইক্রো অবজার্ভার, ইআরও এবং এইআরও-দের তৈরি নোটের ওপর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, চূড়ান্ত তালিকা কোন দিকে গড়াবে এবং যাচাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা কতটা বজায় থাকবে।সবচেয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে, যাঁদের নিজেদের নামই বিচারাধীন তালিকায় উঠে এসেছে। একদিকে ব্যক্তিগত অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে অন্যদের আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব— দুইয়ের চাপে পড়ে কার্যত দ্বিগুণ চাপের মুখে পড়েছেন তাঁরা। এই অবস্থায় ভোটারদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে এক বড়সড় অনিশ্চয়তা।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম পর্ব প্রকাশ, ৬৩ লক্ষ নাম বাদ — বিচারকদের কাঁধে নথির পাহাড়

রাজ্য – চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম পর্ব প্রকাশিত হতেই সামনে এসেছে এক বিস্ময়কর চিত্র। এই পর্যায়ে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তালিকায় যেমন সাধারণ মানুষের নাম রয়েছে, তেমনই রয়েছেন বিধায়ক, কাউন্সিলর, এমনকি বিশ্বকাপজয়ী ক্রীড়াবিদদের নামও। চমকপ্রদ বিষয় হল, নথি যাচাইয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৬ জন বিচারকের নামও উঠে এসেছে ‘অ্যাডজুডিকেশন’-এর তালিকায়। ফলে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।এই পরিস্থিতিতে বিপুল পরিমাণ নথির ভিড় থেকে যোগ্য ভোটার চিহ্নিত করা কার্যত খড়ের গাদায় সূঁচ খোঁজার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, একজন বিচারককে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০টি আবেদন নিষ্পত্তি করতে হচ্ছে। অধিকাংশ বিধানসভা এলাকায় নথি যাচাইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন একজন করে বিচারক। তবে যেখানে বিচারাধীন আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি, সেখানে দু’জন করে বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে। তবুও নথির পাহাড় সামলাতে কার্যত নাজেহাল অবস্থা তাঁদের।জানা গিয়েছে, বিচারকদের জন্য পৃথক লগইন আইডি দেওয়া হলেও সেখানে এইআরও এবং ইআরও-দের আপলোড করা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি দৃশ্যমান নয়। ফলে সঠিক তথ্য যাচাই করতে হার্ডকপি নিয়ে বসতে হচ্ছে তাঁদের। এতে সময় লাগছে আরও বেশি। এই জটিল পরিস্থিতিতে বহু বিচারকই নির্ভর করছেন মাইক্রো অবজার্ভার, ইআরও এবং এইআরও-দের তৈরি নোটের ওপর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, চূড়ান্ত তালিকা কোন দিকে গড়াবে এবং যাচাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা কতটা বজায় থাকবে।সবচেয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে, যাঁদের নিজেদের নামই বিচারাধীন তালিকায় উঠে এসেছে। একদিকে ব্যক্তিগত অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে অন্যদের আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব— দুইয়ের চাপে পড়ে কার্যত দ্বিগুণ চাপের মুখে পড়েছেন তাঁরা। এই অবস্থায় ভোটারদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে এক বড়সড় অনিশ্চয়তা।

দেশ

আরব দুনিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি, দিল্লিতে মোদীর জরুরি বৈঠক — আটকে বহু ভারতীয়

দেশ – আরব দুনিয়ায় ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠা যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে বহু

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top