
ভোটের আগে ‘স্বনির্ভর বাংলা’ উদ্যোগে জোর, শুরু যুবসাথী আবেদন শিবির
রাজ্য – ভোটের প্রাক্কালে ‘স্বনির্ভর বাংলা’ বার্তাকে সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে একাধিক জনমুখী প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ঘোষণামতো আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। এদিন রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।শুধু যুবসাথী নয়, একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, খেতমজুরদের বার্ষিক আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের সেচের জল ব্যবহারের জলকর মকুব সংক্রান্ত আবেদনও নেওয়া হচ্ছে এই ক্যাম্পগুলিতে। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় আলাদা শিবির খোলা হয়েছে, যেখানে উপভোক্তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে হাজির হচ্ছেন। বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন, লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিচ্ছেন আবেদনকারীরা।যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করতে আধার কার্ডের প্রতিলিপি জমা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি আবেদনকারীর সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি, মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ও মার্কশিট, ভোটার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক পাসবইয়ের প্রথম পাতার স্বাক্ষরিত ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। সরকারি ছুটির দিন বাদ দিয়ে প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট বিধানসভা এলাকাগুলিতে এই ক্যাম্প চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এদিকে, সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হয়েছে যে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নতুন আবেদনকারীরাও এই শিবিরে আবেদন জমা দিতে পারবেন। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ২.৪২ কোটি মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন। নতুন আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও বহু মহিলা এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে প্রশাসনের আশা।সাম্প্রতিক রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাধারণ শ্রেণির মহিলারা এখন মাসে ১০০০ টাকার পরিবর্তে ১৫০০ টাকা পাবেন। ফলে নির্বাচনের আগে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার যে জনসংযোগ আরও জোরদার করতে চাইছে, তা এই উদ্যোগ থেকেই স্পষ্ট।

ভোটের আগে ‘স্বনির্ভর বাংলা’ উদ্যোগে জোর, শুরু যুবসাথী আবেদন শিবির
রাজ্য – ভোটের প্রাক্কালে ‘স্বনির্ভর বাংলা’ বার্তাকে সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে একাধিক জনমুখী প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ঘোষণামতো আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। এদিন রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।শুধু যুবসাথী নয়, একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, খেতমজুরদের বার্ষিক আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের সেচের জল ব্যবহারের জলকর মকুব সংক্রান্ত আবেদনও নেওয়া হচ্ছে এই ক্যাম্পগুলিতে। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় আলাদা শিবির খোলা হয়েছে, যেখানে উপভোক্তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে হাজির হচ্ছেন। বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন, লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিচ্ছেন আবেদনকারীরা।যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করতে আধার কার্ডের প্রতিলিপি জমা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি আবেদনকারীর সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি, মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ও মার্কশিট, ভোটার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক পাসবইয়ের প্রথম পাতার স্বাক্ষরিত ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। সরকারি ছুটির দিন বাদ দিয়ে প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট বিধানসভা এলাকাগুলিতে এই ক্যাম্প চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এদিকে, সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হয়েছে যে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নতুন আবেদনকারীরাও এই শিবিরে আবেদন জমা দিতে পারবেন। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ২.৪২ কোটি মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন। নতুন আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও বহু মহিলা এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে প্রশাসনের আশা।সাম্প্রতিক রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাধারণ শ্রেণির মহিলারা এখন মাসে ১০০০ টাকার পরিবর্তে ১৫০০ টাকা পাবেন। ফলে নির্বাচনের আগে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার যে জনসংযোগ আরও জোরদার করতে চাইছে, তা এই উদ্যোগ থেকেই স্পষ্ট।
দেশ

ক্যালিফোর্নিয়ায় নিখোঁজ ভারতীয় ছাত্রের দেহ উদ্ধার, শোকস্তব্ধ পরিবার
দেশ – কয়েকদিন ধরেই নিখোঁজ ছিলেন আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্র সাকেথ শ্রীনিবাসাইয়া। গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁর
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

সব নাটকের অবসান, বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধেই খেলছে পাকিস্তান—১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ নিশ্চিত
খেলা – কূটনৈতিক টানাপড়েন, বয়কটের হুমকি এবং একের পর এক বৈঠকের নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট হলো চিত্র। বহু


































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































