ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা ভারতের জনপ্রিয় ৫ হিল স্টেশন

ওফবিট – ছুটি কাটাতে পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে ভারতের জনপ্রিয় কয়েকটি হিল স্টেশনের ইতিহাসও জেনে রাখা যাক। আজকের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই পাহাড়ি শহরগুলির অনেকগুলির সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ব্রিটিশ আমলের ইতিহাস। গরম থেকে স্বস্তি পেতে এবং প্রশাসনিক ও সামরিক প্রয়োজন মেটাতে ব্রিটিশরা ভারতের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একাধিক ‘হিল স্টেশন’ গড়ে তুলেছিল। সময়ের সঙ্গে সেই জায়গাগুলিই হয়ে উঠেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। দার্জিলিংয়ের নাম উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কাঞ্চনজঙ্ঘা, চা-বাগান আর ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেন। উনিশ শতকে ব্রিটিশ শাসনকালে দার্জিলিংয়ের দ্রুত বিকাশ শুরু হয়। পরবর্তীতে রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় কলকাতা-সহ সমতল এলাকা থেকে দার্জিলিং যাতায়াত আরও সহজ হয়ে ওঠে। ১৮৮১ সালে চালু হয় দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে, যা আজও এই পাহাড়ি শহরের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। হিমাচল প্রদেশের শিমলাও ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ব্রিটিশ আমলে শিমলা ছিল ভারতের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। সেই সময় এখানে তৈরি হয়েছিল একাধিক প্রশাসনিক ভবন, গির্জা, স্কুল এবং বাংলো। কালকা-শিমলা রেলপথও ব্রিটিশ আমলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন, যা এখনও পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কারণ। তামিলনাড়ুর উটি বা উদগামণ্ডলম ছিল ব্রিটিশ আধিকারিকদের অন্যতম পছন্দের গ্রীষ্মকালীন অবকাশকেন্দ্র। মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির গরম থেকে স্বস্তি পেতে ব্রিটিশ আধিকারিকরা নিয়মিত এখানে সময় কাটাতেন। ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের পাশাপাশি নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে এখনও উটির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে। উত্তরাখণ্ডের মুসৌরির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে ব্রিটিশ ইতিহাস। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে এই এলাকায় ব্রিটিশদের আনাগোনা শুরু হয়। ১৮২০-এর দশক থেকে মুসৌরি ধীরে ধীরে একটি জনপ্রিয় অবকাশকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। আজও শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ব্রিটিশ আমলের বাংলো এবং ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। উত্তরাখণ্ডের আর এক জনপ্রিয় শৈলশহর নৈনিতাল। হিমালয়ের প্রায় ২ হাজার মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই শহর তার মনোরম হ্রদের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং ‘হ্রদ জেলা’ নামেও পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে নৈনিতালও গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি প্রশাসনিক ও অবকাশকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। আজ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ঔপনিবেশিক স্থাপত্য ও ইতিহাসও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে আজ যে পাহাড়ি শহরগুলিতে ছুটে যান পর্যটকেরা, সেই

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা ভারতের জনপ্রিয় ৫ হিল স্টেশন

ওফবিট – ছুটি কাটাতে পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে ভারতের জনপ্রিয় কয়েকটি হিল স্টেশনের ইতিহাসও জেনে রাখা যাক। আজকের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই পাহাড়ি শহরগুলির অনেকগুলির সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ব্রিটিশ আমলের ইতিহাস। গরম থেকে স্বস্তি পেতে এবং প্রশাসনিক ও সামরিক প্রয়োজন মেটাতে ব্রিটিশরা ভারতের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একাধিক ‘হিল স্টেশন’ গড়ে তুলেছিল। সময়ের সঙ্গে সেই জায়গাগুলিই হয়ে উঠেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। দার্জিলিংয়ের নাম উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কাঞ্চনজঙ্ঘা, চা-বাগান আর ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেন। উনিশ শতকে ব্রিটিশ শাসনকালে দার্জিলিংয়ের দ্রুত বিকাশ শুরু হয়। পরবর্তীতে রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় কলকাতা-সহ সমতল এলাকা থেকে দার্জিলিং যাতায়াত আরও সহজ হয়ে ওঠে। ১৮৮১ সালে চালু হয় দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে, যা আজও এই পাহাড়ি শহরের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। হিমাচল প্রদেশের শিমলাও ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ব্রিটিশ আমলে শিমলা ছিল ভারতের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। সেই সময় এখানে তৈরি হয়েছিল একাধিক প্রশাসনিক ভবন, গির্জা, স্কুল এবং বাংলো। কালকা-শিমলা রেলপথও ব্রিটিশ আমলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন, যা এখনও পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কারণ। তামিলনাড়ুর উটি বা উদগামণ্ডলম ছিল ব্রিটিশ আধিকারিকদের অন্যতম পছন্দের গ্রীষ্মকালীন অবকাশকেন্দ্র। মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির গরম থেকে স্বস্তি পেতে ব্রিটিশ আধিকারিকরা নিয়মিত এখানে সময় কাটাতেন। ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের পাশাপাশি নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে এখনও উটির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে। উত্তরাখণ্ডের মুসৌরির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে ব্রিটিশ ইতিহাস। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে এই এলাকায় ব্রিটিশদের আনাগোনা শুরু হয়। ১৮২০-এর দশক থেকে মুসৌরি ধীরে ধীরে একটি জনপ্রিয় অবকাশকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। আজও শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ব্রিটিশ আমলের বাংলো এবং ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। উত্তরাখণ্ডের আর এক জনপ্রিয় শৈলশহর নৈনিতাল। হিমালয়ের প্রায় ২ হাজার মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই শহর তার মনোরম হ্রদের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং ‘হ্রদ জেলা’ নামেও পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে নৈনিতালও গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি প্রশাসনিক ও অবকাশকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। আজ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ঔপনিবেশিক স্থাপত্য ও ইতিহাসও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে আজ যে পাহাড়ি শহরগুলিতে ছুটে যান পর্যটকেরা, সেই

দেশ

পড়ুয়াদের বিক্ষোভে চাপে রাহুল, হেমন্ত সোরেনকে ঘিরে জোটে টানাপোড়েন

দেশ – জেন জি আন্দোলনকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে চাপে রাখতে সক্রিয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বিভিন্ন রাজ্যে

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top