আইনের অধীনে প্রত্যেকে, সেই “আইন” কথাটির সংজ্ঞা কি। আইন হল নিয়মের এক পদ্ধতি, আইন হল এক ধরনের আদেশ বা নিষেধ। আইন সবার জন্য সমান। নাগরিক, বাধ্যতা, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সমাজের ভিত্তি নির্মান করতে ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যকারী করতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।
আইন সম্পর্কে পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের জ্ঞান থাকা দরকার। প্রতিটি দেশে জনসাধারন কে আইনের বিষয়ে সাধারণ প্রশিক্ষন দেওয়া হয়ে থাকে। এতে করে সব নাগরিক মৌলিকভাবে অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং প্রতারনার হাত রক্ষা পায়। আইনের চোখে সকলেই সমান, কেউ আইনের উদ্ধে নয়।
অনেকেই আইনের সহগয়তা পেতে গিয়ে প্রতারনার স্বীকার হয়ে থাকে। “আইন” এই কথাটির সংজ্ঞা প্রদান করা যায় না। বিভিন্ন ধরনের আইনবিদ গন বিভিন্ন ধরনের সংজ্ঞা দিয়েছেন।আইনের খসড়া কে বিল বলে। মন্ত্রীগন সরকারি বিল উথাপন করে আর বেসরকারি বিল উত্থাপন করে সংসদের সদস্য।
সরকারি বিলের জন্য ৭ দিনের বিজ্ঞপ্তি প্রয়োজন। আর বেসরকারি বিলের জন্য ১৫দিনের বিজ্ঞপ্তি প্রয়োজন হয় ।এর পর আইনটি পাশ করার জন্য রাষ্ট্রপতি অনুমোদন এর প্রয়োজন হয়ে থাকে । বিভিন্ন আইনের সংজ্ঞা হিসাবে তাঁদের মতামত দিয়েছে।
আর ও পড়ুন জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর খুশিতে ভাসছেন পরীমনি, কেন ?
একটি দেশের আইনের প্রধানত দুভাগে ভাগ করা যায়। ১.সরকার সম্পকিত এবং ২. ব্যাক্তি সম্পকিত। সরকার সম্পকিত আইনের আবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভাগ রয়েছে৷ ক.সাংবিধানিক ও খ.প্রশাসনিক। আর ব্যাক্তি সম্পকিত দুটি দিক আছে। ক. তথ্যগত আইন ও খ. পদ্ধতিগত আইন।
আইনের উৎপত্তি বিভিন্ন উৎস থেকে হতে পারে। যেমন ১.প্রথা, ২.ধর্ম, ৩. আইন গন্থ, ৪. বিচারকের রায়, ন্যায়বোধ, ৬.আইনসভা। আইনের কয়েকটি বৈশিষ্ঠ্য আছে। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া, অপরাধ প্রমান না হওয়া অবধি কাউকে অপরাধী না বলা। যে যা অপরাধ করেছে তাকে তার প্রাপ্য শাস্তি দেওয়া।
আদালত হল সেই জায়গা যেখানে সুষ্টুভাবে প্রতিটি আইন,দোষী কে সমান ভাবে দেখা হয়ে। আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। প্রতিটি মামলার সুনানি আদালতে হয়ে থাকে । দোষী দোষ করেছে কিনা তা বিচার হয় এখানে। মানুষ এখানে আসে বিচার পেতে।
আদালত এমন একটি জায়গা যেখানে অপরাধীরা অপরাধের জন্য শাস্তি পায় এবং নিরপরাধীরা মুক্তি লাভ করে। আইন ও আদালত আমাদের সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি ছাড়া সমাজে সুষ্টুভাবে বাচা অসম্ভব।



















