চোপড়া এলাকায় সন্ত্রাস ও লুটপাটের ঘটনায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

চোপড়া এলাকায় সন্ত্রাস ও লুটপাটের ঘটনায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা ৪মে ২০২১উত্তর দিনাজপুর: চোপড়া বিধানসভা এলাকায় সন্ত্রাস লুটপাটের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি। এলাকায় চাপা আতঙ্ক রয়েছে।

ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচীন মক্কর জানিয়েছেন, চোপড়া বিধানসভা এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি শুরু করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। চোপড়ায় ভোট গননার পরবর্তী হিংসা, সন্ত্রাস, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রবিবার ভোট গননার পরেই চোপড়া বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় হিংসা সন্ত্রাস আর লুটপাট অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয় তৃনমূল কংগ্রেস প্রার্থী হামিদুল রহমান। অভিযোগ তৃনমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতীরা চোপড়ার সোনাপুর, মাঝিয়ালি, দাসপাড়া, ঝাড়বাড়ি, লালবাজার, চোপড়া বাজার এলাকায় বিভিন্ন দোকানে লুটপাট ভাঙচুর চালায়। বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চোপড়া বিধানসভা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবারেও তান্ডব চালায় দুস্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই চোপড়া বিধানসভা এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ শুরু হয়। অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ চিরুনি তল্লাশি শুরু করে। ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচীন মক্কর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চোপড়া বিধানসভা এলাকার দাসপাড়া, চোপড়া বাজার, ঝাড়বাড়ি ও লালবাজার এলাকায় পুলিশের কমব্যাট ফোর্স, র‍্যাফ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রুটমার্চ শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের টহলদারি চলছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

আরও পড়ুন….তৃণমূল কর্মী সুজিত বসু জিতে যাওয়ার পর বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা উত্তপ্ত সল্টলেক

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top