জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী বৈজ্ঞানিক সমস্যা দূর করতে শুরু হবে জাতীয় কর্মশালা

জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী বৈজ্ঞানিক সমস্যা দূর করতে শুরু হবে জাতীয় কর্মশালা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নতুনদিল্লি, ১লা এপ্রিল:পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি বৈজ্ঞানিক সমস্যা দূর করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে জাতীয় কর্মশালা এপ্রিলের ৫থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত কর্মশালা চলবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের তরল বা গ্যাসীয় বাষ্প অর্থাৎ জেট এবং পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার জাতীয় প্রেক্ষাপট౼ অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জেট অ্যান্ড অবসারভেশনাল ফেসিলিটিজঃ ন্যাশনাল পারস্পেক্টিভ শীর্ষক একটি জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত জ্যোতির্বিদ্যার দীর্ঘমেয়াদি বৈজ্ঞানিক সমস্যাগুলি নিয়ে এই কর্মশালায় আলোচনা করবেন।ভারতের ৩০ টি প্রতিষ্ঠানের ২০০ জন বিজ্ঞানী ও তরুণ গবেষক ৫ থেকে ৯ই এপ্রিল এই কর্মশালায় অংশ নেবেন। তারা মূলত নক্ষত্র ও ছায়াপথ সহ বিভিন্ন পদার্থ থেকে নিঃসৃত জেট নিয়ে আলোচনা করবেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানে জেট মূলত আয়নীয় পদার্থ হিসেবে বিবেচিত হয়। পদার্থবিদ্যায় ছায়াপথ এবং ছায়াপথ ছাড়াও অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু থেকে যে জেট নির্গত হয় বিজ্ঞানীদের কাছে তা অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা আর্যভট্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ অবজারভেশন সায়েন্সেস এই কর্মশালার আয়োজন করেছে। পুরো কর্মশালাটি অনলাইনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।ভারতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মূলত সক্রিয় ছায়াপথ সংক্রান্ত নিউক্লিয়াসসমূহ, মহাকাশের গামা রশ্মির ঝরনা, সুপারনোভা, রঞ্জন রশ্মির বাইনারি সহ বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করেন। এই কর্মশালায় ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় পর্যবেক্ষণের জন্য আরো বড় আরো বৃহৎ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা নিয়েও আলোচনা হবে।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের সুবর্ণজয়ন্তী এবং স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে আজাদী কা অমৃত মহোৎসবের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।পাঁচ দিনের এই কর্মশালায় টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ, বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ও রমন রিসার্চ সেন্টার, মুম্বাইয়ের ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার, পুনের ন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ও ইন্টার-ইউনিভারসিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স, আমেদাবাদের ফিজিক্স রিসার্চ ল্যাবরেটরি এবং বেঙ্গালুরুর ইসরোর সদর দপ্তরের বিজ্ঞানীরা অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন…এবছরের আইপিএলে কেকেআর-এর জয়ের আশায় এখন থেকেই কফি খাচ্ছেন কিং খান

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top